ATN
শিরোনাম
  •  

ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের মিশন বাংলাদেশের

         
ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের মিশন বাংলাদেশের

ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের মিশন বাংলাদেশের

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর এবার টি-টোয়েন্টি সিরিজেও সাফল্যের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল (বুধবার) চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে। ম্যাচটি শুরু হবে দুপুর ২টায়।

মিরপুরে অনুষ্ঠিত ওয়ানডে সিরিজে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করে নেয় টাইগাররা। প্রথম ওয়ানডেতে বৃষ্টি আইনে ৮৬ রানে এবং দ্বিতীয় ম্যাচে বৃষ্টি আইনে ৫ উইকেটে জয় পেয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। এর মধ্য দিয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে টানা চতুর্থ সিরিজ জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করে দলটি।

তবে শেষ ওয়ানডেতে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের পর ১ উইকেটের ব্যবধানে হেরে যাওয়ায় অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করতে পারেনি স্বাগতিকরা।

ওয়ানডে সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়েই টি-টোয়েন্টি সিরিজে নামছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই সংস্করণে সিরিজ জয়ের অভিজ্ঞতাও রয়েছে টাইগারদের। ২০২১ সালে মিরপুরে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ৪-১ ব্যবধানে জিতেছিল বাংলাদেশ। যদিও সামগ্রিক পরিসংখ্যানে কিছুটা এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া। দুই দলের ১১টি টি-টোয়েন্টি মোকাবিলায় বাংলাদেশ জিতেছে ৪টি, হেরেছে ৭টিতে।

দলের ব্যাটিং নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ থাকলেও পেস আক্রমণ নিয়ে সন্তুষ্ট বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস। তিনি বলেন, আমাদের খুবই ভালো পেস বোলিং ইউনিট রয়েছে। একাদশে জায়গা পাওয়ার জন্য পেসারদের মধ্যে দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে, যা দলের জন্য ইতিবাচক। এতে বেঞ্চ শক্তিও বাড়ছে।

তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ রানা, শরিফুল ইসলাম এবং তরুণ পেসার আব্দুল গাফফার সাকলাইনকে নিয়ে গড়ে উঠেছে বাংলাদেশের পেস বিভাগ। সাকলাইন ছাড়া বাকি সবাই ওয়ানডে সিরিজ জয়ী দলের সদস্য ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেই সাফল্যে পেসারদের অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।

ওয়ানডে সিরিজের ধারাবাহিকতা টি-টোয়েন্টিতেও বজায় রাখতে চান লিটন। তিনি বলেন, শুধু সিরিজ জিতিনি, তিন ম্যাচেই আমরা ভালো ক্রিকেট খেলেছি। তবে টি-টোয়েন্টি ভিন্ন ফরম্যাট। আমাদের দলও আলাদা, তাদের দলও আলাদা।

তিনি আরও বলেন, ইতিবাচক দিক হলো দলের বেশিরভাগ খেলোয়াড় ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে এবং আত্মবিশ্বাসী রয়েছে। তবে নির্দিষ্ট দিনে নিজেদের সেরা ক্রিকেট খেলতে হবে।

অন্যদিকে, ওয়ানডে সিরিজ হারলেও শেষ ম্যাচে জয় পাওয়ায় কিছুটা আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। টি-টোয়েন্টি সিরিজের আগে নিয়মিত অধিনায়ক মিচেল মার্শের দলে ফেরা সফরকারীদের জন্য বাড়তি শক্তি হিসেবে কাজ করবে। গোড়ালির চোটের কারণে মার্শ ওয়ানডে সিরিজে খেলতে পারেননি। তার অনুপস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়াকে নেতৃত্ব দেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটার জশ ইংলিস।

এদিকে ব্যক্তিগত কারণে বাংলাদেশ সফর থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন তারকা ব্যাটার ট্রাভিস হেড। তার পরিবর্তে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়া দলে ডাক পেয়েছেন ব্যাটিং অলরাউন্ডার নিখিল চৌধুরি। ১৯৬৪ সালের পর প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের সম্ভাবনা রয়েছে তার।

বাংলাদেশ দল: লিটন কুমার দাস (অধিনায়ক), তাওহিদ হৃদয় (সহ-অধিনায়ক), পারভেজ হোসেন ইমন, তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, শামীম হোসেন, নুরুল হাসান সোহান, শেখ মাহেদি হাসান, নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা, আব্দুল গাফফার সাকলাইন ও সৌম্য সরকার।

অস্ট্রেলিয়া দল: মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), জেভিয়ার বার্টলেট, নিখিল চৌধুরি, কুপার কনোলি, টিম ডেভিড, জোয়েল ডেভিস, ন্যাথান এলিস, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যারন হার্ডি, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস, স্পেন্সার জনসন, ম্যাথু কুহেনিম্যান, রিলি মেরেডিথ, জশ ফিলিপ, ম্যাথু রেনশ ও অ্যাডাম জাম্পা।

রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট খেলা সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ