যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক নিয়ে নতুন বার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে তিনি জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যকার নতুন সমঝোতা স্মারক এরইমধ্যে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে স্বাক্ষরিত হয়েছে। তবে চুক্তির বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে ইউরোপীয় পক্ষ।
বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর জোট G-7 সম্মেলনে যোগ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে আশাবাদী বার্তা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তিনি জানান, চুক্তিতে পুরোপুরি স্বাক্ষর করা হয়েছে এবং হরমুজ প্রণালি আংশিকভাবে খুলে দেওয়া হয়েছে। চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ শিগগিরই প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি।
সমঝোতার বিস্তারিত এখনও প্রকাশ করা না হলেও, হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে প্রযুক্তিগত আলোচনা চলতি সপ্তাহেই শুরু হতে পারে। তবে নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ কিংবা ইরানের জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করার মতো সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে তেহরান চুক্তির শর্তগুলো কতটা বাস্তবায়ন করছে তার ওপর।
চুক্তি নিয়ে সংশয় কাটেনি ইউরোপীয় মিত্রদের। তাদের মতে, সমঝোতার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখনও স্পষ্ট নয়। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কাঠামো এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।
এদিকে, আলোচনার মধ্যেই নিজেদের সামরিক প্রস্তুতি আরও জোরদারের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। দেশটির সামরিক মুখপাত্র বলেছেন, চুক্তি বাস্তবায়নের পুরো সময়ে জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে সমঝোতা লঙ্ঘনের যেকোনো প্রচেষ্টার কঠোর জবাব দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, ইসরায়েল যাতে যুদ্ধবিরতি মেনে চলে তা যুক্তরাষ্ট্রকে নিশ্চিত করতে হবে। পুরো চুক্তিটি লেবাননের পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল বলে তিনি সতর্ক করেন।
অন্যদিকে, চুক্তির কয়েকটি ধারা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে ইসরায়েল। বিশেষ করে লেবানন ও বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্রশ্নে তাদের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। ফলে সমঝোতা কার্যকরের পথ এখনও পুরোপুরি মসৃণ নয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সম্ভাব্য এই সমঝোতার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজারেও। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার প্রত্যাশায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে। একই সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন শেয়ারবাজারেও দেখা গেছে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা।
রিপোর্ট : সা. সি/মা. হা
বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর জোট G-7 সম্মেলনে যোগ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে আশাবাদী বার্তা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তিনি জানান, চুক্তিতে পুরোপুরি স্বাক্ষর করা হয়েছে এবং হরমুজ প্রণালি আংশিকভাবে খুলে দেওয়া হয়েছে। চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ শিগগিরই প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি।
সমঝোতার বিস্তারিত এখনও প্রকাশ করা না হলেও, হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে প্রযুক্তিগত আলোচনা চলতি সপ্তাহেই শুরু হতে পারে। তবে নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ কিংবা ইরানের জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করার মতো সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে তেহরান চুক্তির শর্তগুলো কতটা বাস্তবায়ন করছে তার ওপর।
চুক্তি নিয়ে সংশয় কাটেনি ইউরোপীয় মিত্রদের। তাদের মতে, সমঝোতার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখনও স্পষ্ট নয়। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কাঠামো এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।
এদিকে, আলোচনার মধ্যেই নিজেদের সামরিক প্রস্তুতি আরও জোরদারের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। দেশটির সামরিক মুখপাত্র বলেছেন, চুক্তি বাস্তবায়নের পুরো সময়ে জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে সমঝোতা লঙ্ঘনের যেকোনো প্রচেষ্টার কঠোর জবাব দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, ইসরায়েল যাতে যুদ্ধবিরতি মেনে চলে তা যুক্তরাষ্ট্রকে নিশ্চিত করতে হবে। পুরো চুক্তিটি লেবাননের পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল বলে তিনি সতর্ক করেন।
অন্যদিকে, চুক্তির কয়েকটি ধারা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে ইসরায়েল। বিশেষ করে লেবানন ও বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্রশ্নে তাদের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। ফলে সমঝোতা কার্যকরের পথ এখনও পুরোপুরি মসৃণ নয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সম্ভাব্য এই সমঝোতার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজারেও। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার প্রত্যাশায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে। একই সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন শেয়ারবাজারেও দেখা গেছে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা।
রিপোর্ট : সা. সি/মা. হা
