বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেই বিস্ময় উপহার দিলো পুঁচকে কেপ ভার্দে। আফ্রিকার ছোট্ট দেশের ফুটবল দল অভিষেক ম্যাচেই গোলশূন্য ড্র করে আটকে দিয়েছে সাবেক বিশ্বজয়ী বর্তমান ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেনকে।
প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে নেমে কেপ ভার্দে সামনে পায় টুর্নামেন্টের হট ফেবারিট ফিফা রাঙ্কিংয়ের দুইয়ে থাকা স্পেনকে। কে জানতো, এই ম্যাচে এমন পারফরম্যান্স উপহার দেবে আফ্রিকার নবাগত দলটি, যাদের রাঙ্কিং ৬৭। আটলান্টা স্টেডিয়ামে নিজেদের প্রথম ম্যাচে, সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হতাশায় ডুবতে হয়েছে আসলে কেপ ভার্দের সংগঠিত রক্ষণভাগ এবং গোলকিপার ভোজিনিয়ার জন্য।
ম্যাচের শুরু থেকেই কেপ ভার্দের ওপর চাপ সৃষ্টি করে স্পেন। তবে বলের নিরঙ্কুশ দখল রেখেও তেমন ধারালো সুযোগ তৈরি করতে পারছিলো না তারা। প্রথমার্ধের শেষদিকে সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন ফেরান তোরেস। তাঁর শটটি প্রতিহত হয় ক্রসবারে। ফিরতি বলে ওইয়ারসাবালের নেওয়া হেড দুর্দান্তভাবে রুখে দেন ভোজিনিয়া। গোলশূন্য থেকেই বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার বাড়ায় স্পেন। তবে একের পর এক আক্রমণেও কেপ ভার্দের ডিফেন্স ভাঙতে ব্যর্থ হয় তারা। গোলের খোঁজে ম্যাচের ৭১ মিনিটে মিকেল মেরিনোর বদলি হয়ে, প্রথমবারের মতো বিশ্বমঞ্চে নামেন লামিন ইয়ামাল। এরপর স্পেন বেশ কয়েকটি আক্রমণ করলেও কেপ ভার্দের গোলকিপার ভোজিনিয়া ছিলেন অজেয়। বলতে গেলে ৪০ বছর বয়সী এ গোলকিপার একা হাতেই আটকে দেন স্পেনের সব আক্রমণ।

শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য ড্রয়ের হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন। আর পরাশক্তিকে রুখে দেওয়ার গৌরবের অধিকারী হয় বিশ্বকাপ ইতিহাসে জনসংখ্যার দিক থেকে দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ কেপ ভার্দে।
রিপোর্ট : ই/মা. হা
প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে নেমে কেপ ভার্দে সামনে পায় টুর্নামেন্টের হট ফেবারিট ফিফা রাঙ্কিংয়ের দুইয়ে থাকা স্পেনকে। কে জানতো, এই ম্যাচে এমন পারফরম্যান্স উপহার দেবে আফ্রিকার নবাগত দলটি, যাদের রাঙ্কিং ৬৭। আটলান্টা স্টেডিয়ামে নিজেদের প্রথম ম্যাচে, সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হতাশায় ডুবতে হয়েছে আসলে কেপ ভার্দের সংগঠিত রক্ষণভাগ এবং গোলকিপার ভোজিনিয়ার জন্য।
ম্যাচের শুরু থেকেই কেপ ভার্দের ওপর চাপ সৃষ্টি করে স্পেন। তবে বলের নিরঙ্কুশ দখল রেখেও তেমন ধারালো সুযোগ তৈরি করতে পারছিলো না তারা। প্রথমার্ধের শেষদিকে সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন ফেরান তোরেস। তাঁর শটটি প্রতিহত হয় ক্রসবারে। ফিরতি বলে ওইয়ারসাবালের নেওয়া হেড দুর্দান্তভাবে রুখে দেন ভোজিনিয়া। গোলশূন্য থেকেই বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার বাড়ায় স্পেন। তবে একের পর এক আক্রমণেও কেপ ভার্দের ডিফেন্স ভাঙতে ব্যর্থ হয় তারা। গোলের খোঁজে ম্যাচের ৭১ মিনিটে মিকেল মেরিনোর বদলি হয়ে, প্রথমবারের মতো বিশ্বমঞ্চে নামেন লামিন ইয়ামাল। এরপর স্পেন বেশ কয়েকটি আক্রমণ করলেও কেপ ভার্দের গোলকিপার ভোজিনিয়া ছিলেন অজেয়। বলতে গেলে ৪০ বছর বয়সী এ গোলকিপার একা হাতেই আটকে দেন স্পেনের সব আক্রমণ।
শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য ড্রয়ের হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন। আর পরাশক্তিকে রুখে দেওয়ার গৌরবের অধিকারী হয় বিশ্বকাপ ইতিহাসে জনসংখ্যার দিক থেকে দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ কেপ ভার্দে।
রিপোর্ট : ই/মা. হা
