শরীয়তপুরে নারীকে চুল কেটে, মুখে কালি মেখে, খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ
শরীয়তপুরে মাদক বিক্রি ও হানিট্র্যাপে জড়িত থাকার অভিযোগে এক নারীকে মারধর করে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় তার মাথার চুল কেটে মুখে কালি মাখিয়ে গলায় জুতার মালা পরানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে।
গতকাল শনিবার সকালে শরীয়তপুর পৌরসভার উত্তর পালং এলাকার শাবনুর মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৩৭ বছর বয়সী ওই নারী একজন প্রবাসীর স্ত্রী। তিনি সন্তানদের নিয়ে শরীয়তপুর পৌর এলাকায় বসবাস করেন। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় দেলোয়ার কোটারির পরিবারসহ কয়েকজনকে তিনি টাকা ধার দিয়েছিলেন। পরে সেই টাকা ফেরত দেওয়াকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার সকালে দেলোয়ার কোটারির স্ত্রী ও মেয়ে ওই নারীকে স্থানীয় একটি মার্কেটের সামনে আটক করেন। এরপর কয়েকজন নারীকে সঙ্গে নিয়ে তাকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয় এবং মুখে কালি মাখিয়ে দেওয়া হয়। পরে গলায় জুতার মালা পরিয়ে রাস্তার পাশের একটি বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল করেন। পালং মডেল থানা পুলিশ দুপুর ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই নারীকে উদ্ধার করে। পরে আহত অবস্থায় তাকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নির্যাতনের শিকার নারী দাবি করেন, দেলোয়ার কোটারির সঙ্গে তার আর্থিক লেনদেন রয়েছে এবং নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তির মাধ্যমে তিনি টাকা নিয়েছিলেন।
তার ভাষ্য, আমি বারবার টাকা চাইলে তিনি টালবাহানা করছিলেন। এক সপ্তাহ আগে টাকা ফেরতের জন্য চাপ দিই। এরপর সন্তানদের নিয়ে ঢাকায় যাই। ঢাকা থেকে ফিরে আসার পর দেলোয়ারের স্ত্রী ও মেয়ে কয়েকজনকে নিয়ে আমাকে মারধর করেন। তারা আমার মাথার চুল কেটে দেয়, মুখে কালি মাখায় এবং খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখে। আমি তাদের বিরুদ্ধে মামলা করব।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দেলোয়ার কোটারির মেয়ে মৌসুমি আক্তার। তিনি বলেন, ওই নারী আমার বাবাকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করতেন এবং আমাদের সংসারে সমস্যা তৈরি করতেন। তিনি এলাকায় মাদক বিক্রি করেন। শনিবার মাদক বিক্রির সময় স্থানীয় কয়েকজন নারী তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে ক্ষুব্ধ মানুষ তাকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। তিনি আমাদের কাছে কোনো টাকা পাবেন না। নিজের কর্মকাণ্ড আড়াল করতে এখন মিথ্যা অভিযোগ করছেন।
পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, ভুক্তভোগী নারী ও স্থানীয় কয়েকজন নারীর মধ্যে টাকা-পয়সা সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জের ধরেই কয়েকজন নারী তাকে মারধর করে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখেন।
তিনি আরও জানান, ৯৯৯ নম্বরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করে। পরে শারীরিক অসুস্থতার কারণে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভুক্তভোগী আইনগত ব্যবস্থা নিতে চাইলে পুলিশ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
গতকাল শনিবার সকালে শরীয়তপুর পৌরসভার উত্তর পালং এলাকার শাবনুর মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৩৭ বছর বয়সী ওই নারী একজন প্রবাসীর স্ত্রী। তিনি সন্তানদের নিয়ে শরীয়তপুর পৌর এলাকায় বসবাস করেন। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় দেলোয়ার কোটারির পরিবারসহ কয়েকজনকে তিনি টাকা ধার দিয়েছিলেন। পরে সেই টাকা ফেরত দেওয়াকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার সকালে দেলোয়ার কোটারির স্ত্রী ও মেয়ে ওই নারীকে স্থানীয় একটি মার্কেটের সামনে আটক করেন। এরপর কয়েকজন নারীকে সঙ্গে নিয়ে তাকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয় এবং মুখে কালি মাখিয়ে দেওয়া হয়। পরে গলায় জুতার মালা পরিয়ে রাস্তার পাশের একটি বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল করেন। পালং মডেল থানা পুলিশ দুপুর ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই নারীকে উদ্ধার করে। পরে আহত অবস্থায় তাকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নির্যাতনের শিকার নারী দাবি করেন, দেলোয়ার কোটারির সঙ্গে তার আর্থিক লেনদেন রয়েছে এবং নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তির মাধ্যমে তিনি টাকা নিয়েছিলেন।
তার ভাষ্য, আমি বারবার টাকা চাইলে তিনি টালবাহানা করছিলেন। এক সপ্তাহ আগে টাকা ফেরতের জন্য চাপ দিই। এরপর সন্তানদের নিয়ে ঢাকায় যাই। ঢাকা থেকে ফিরে আসার পর দেলোয়ারের স্ত্রী ও মেয়ে কয়েকজনকে নিয়ে আমাকে মারধর করেন। তারা আমার মাথার চুল কেটে দেয়, মুখে কালি মাখায় এবং খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখে। আমি তাদের বিরুদ্ধে মামলা করব।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দেলোয়ার কোটারির মেয়ে মৌসুমি আক্তার। তিনি বলেন, ওই নারী আমার বাবাকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করতেন এবং আমাদের সংসারে সমস্যা তৈরি করতেন। তিনি এলাকায় মাদক বিক্রি করেন। শনিবার মাদক বিক্রির সময় স্থানীয় কয়েকজন নারী তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে ক্ষুব্ধ মানুষ তাকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। তিনি আমাদের কাছে কোনো টাকা পাবেন না। নিজের কর্মকাণ্ড আড়াল করতে এখন মিথ্যা অভিযোগ করছেন।
পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, ভুক্তভোগী নারী ও স্থানীয় কয়েকজন নারীর মধ্যে টাকা-পয়সা সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জের ধরেই কয়েকজন নারী তাকে মারধর করে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখেন।
তিনি আরও জানান, ৯৯৯ নম্বরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করে। পরে শারীরিক অসুস্থতার কারণে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভুক্তভোগী আইনগত ব্যবস্থা নিতে চাইলে পুলিশ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
