হঠাৎ করেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ইংল্যান্ড সফরে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ চলাকালীন ১৬ বছরের বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সমাপ্তি টানার সিদ্ধান্ত জানান তিনি।
লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টেই শেষবারের মতো আন্তর্জাতিক ম্যাচে মাঠে নামেন উইলিয়ামসন। ওই ম্যাচের দুই ইনিংসে যথাক্রমে শূন্য ও ১৮ রান করেন নিউজিল্যান্ডের এই তারকা ব্যাটার।
নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে উইলিয়ামসন বলেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরেই অবসর নিয়ে ভাবছিলাম। তবে গত কয়েক দিনে আমার কাছে পরিষ্কার হয়েছে যে, এটাই সঠিক সময়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের প্রতি আমার যে তীব্র আগ্রহ ও ক্ষুধা ছিল, সেটিই সবসময় আমাকে এগিয়ে নিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘নিউজিল্যান্ডের হয়ে প্রতিটি ম্যাচে নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি—এটা ভেবে আমি গর্ব অনুভব করি। সেই একই তাড়না ছাড়া খেলে যাওয়া ঠিক হতো না। নিজের শর্তে বিদায় নিতে পারছি, এজন্য আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি।’
২০১০ সালের আগস্টে ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় উইলিয়ামসনের। একই বছর টেস্ট এবং ২০১১ সালে টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয় তার। দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তিন সংস্করণ মিলিয়ে নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৩৭৮টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি।
ব্যাট হাতে টেস্ট ক্রিকেটে ৩৩টি সেঞ্চুরির সাহায্যে ৯ হাজার ৫১৫ রান সংগ্রহ করেছেন উইলিয়ামসন। ওয়ানডেতে ১৫টি শতকসহ তার রান ৭ হাজার ২৫৮। এছাড়া টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে করেছেন ২ হাজার ৫৭৫ রান।
অধিনায়ক হিসেবেও নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটে উজ্জ্বল অধ্যায় রচনা করেছেন তিনি। তার নেতৃত্বে কিউইরা ৪০ টেস্টের ২২টিতে, ৯১ ওয়ানডের ৪৬টিতে এবং ৭৫ টি-টোয়েন্টির ৩৯টিতে জয় পেয়েছে। উইলিয়ামসনের অধীনে দুইবার আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠে নিউজিল্যান্ড। এছাড়া ২০২১ সালে ভারতের বিপক্ষে জয় পেয়ে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয়ের কৃতিত্বও অর্জন করে দলটি।
ব্যক্তিগত অর্জনের দিক থেকেও ছিলেন সমান উজ্জ্বল। ২০১৫ সালে আইসিসির বর্ষসেরা ক্রিকেটারের স্বীকৃতি পান তিনি। ২০১৯ সালে নির্বাচিত হন বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে। পাশাপাশি নিউজিল্যান্ডের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার ‘স্যার রিচার্ড হ্যাডলি মেডেল’ জিতেছেন চারবার।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিলেও নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের ইতিহাসে অন্যতম সফল ব্যাটার ও অধিনায়ক হিসেবে কেন উইলিয়ামসনের নাম দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টেই শেষবারের মতো আন্তর্জাতিক ম্যাচে মাঠে নামেন উইলিয়ামসন। ওই ম্যাচের দুই ইনিংসে যথাক্রমে শূন্য ও ১৮ রান করেন নিউজিল্যান্ডের এই তারকা ব্যাটার।
নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে উইলিয়ামসন বলেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরেই অবসর নিয়ে ভাবছিলাম। তবে গত কয়েক দিনে আমার কাছে পরিষ্কার হয়েছে যে, এটাই সঠিক সময়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের প্রতি আমার যে তীব্র আগ্রহ ও ক্ষুধা ছিল, সেটিই সবসময় আমাকে এগিয়ে নিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘নিউজিল্যান্ডের হয়ে প্রতিটি ম্যাচে নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি—এটা ভেবে আমি গর্ব অনুভব করি। সেই একই তাড়না ছাড়া খেলে যাওয়া ঠিক হতো না। নিজের শর্তে বিদায় নিতে পারছি, এজন্য আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি।’
২০১০ সালের আগস্টে ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় উইলিয়ামসনের। একই বছর টেস্ট এবং ২০১১ সালে টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয় তার। দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তিন সংস্করণ মিলিয়ে নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৩৭৮টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি।
ব্যাট হাতে টেস্ট ক্রিকেটে ৩৩টি সেঞ্চুরির সাহায্যে ৯ হাজার ৫১৫ রান সংগ্রহ করেছেন উইলিয়ামসন। ওয়ানডেতে ১৫টি শতকসহ তার রান ৭ হাজার ২৫৮। এছাড়া টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে করেছেন ২ হাজার ৫৭৫ রান।
অধিনায়ক হিসেবেও নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটে উজ্জ্বল অধ্যায় রচনা করেছেন তিনি। তার নেতৃত্বে কিউইরা ৪০ টেস্টের ২২টিতে, ৯১ ওয়ানডের ৪৬টিতে এবং ৭৫ টি-টোয়েন্টির ৩৯টিতে জয় পেয়েছে। উইলিয়ামসনের অধীনে দুইবার আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠে নিউজিল্যান্ড। এছাড়া ২০২১ সালে ভারতের বিপক্ষে জয় পেয়ে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয়ের কৃতিত্বও অর্জন করে দলটি।
ব্যক্তিগত অর্জনের দিক থেকেও ছিলেন সমান উজ্জ্বল। ২০১৫ সালে আইসিসির বর্ষসেরা ক্রিকেটারের স্বীকৃতি পান তিনি। ২০১৯ সালে নির্বাচিত হন বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে। পাশাপাশি নিউজিল্যান্ডের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার ‘স্যার রিচার্ড হ্যাডলি মেডেল’ জিতেছেন চারবার।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিলেও নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের ইতিহাসে অন্যতম সফল ব্যাটার ও অধিনায়ক হিসেবে কেন উইলিয়ামসনের নাম দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
