বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে এলেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার
বাংলাদেশে দায়িত্ব গ্রহণ করতে এসে আন্তঃসীমান্ত যোগাযোগের গুরুত্বের বার্তা দিলেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী। শুক্রবার (১২ জুন) তিনি ভারত-বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী মিনাল ত্রিবেদী।
ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সকালে বেনাপোল স্থলবন্দরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান ভারতের উপ-হাইকমিশনার পবন বঢ়ে।
হাইকমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নতুন হাইকমিশনারের স্থলপথে বাংলাদেশে আগমন কেবল একটি আনুষ্ঠানিক সফর নয়, বরং এটি একটি প্রতীকী পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্কের ক্ষেত্রে সীমান্ত সংযোগ এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
এর আগে গত ২৭ এপ্রিল ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দিনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগের ঘোষণা দেয়।
রাজনৈতিক জীবনে দিনেশ ত্রিবেদী দীর্ঘদিন তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ইউনাইটেড প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স (ইউপিএ) সরকারের সময়ে তিনি ভারতের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন।
তবে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি তৃণমূল কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করেন। পরে একই বছরের মার্চ মাসে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-তে যোগ দেন।
বাংলাদেশে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ে তার যাত্রা শুরু হলো।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সকালে বেনাপোল স্থলবন্দরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান ভারতের উপ-হাইকমিশনার পবন বঢ়ে।
হাইকমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নতুন হাইকমিশনারের স্থলপথে বাংলাদেশে আগমন কেবল একটি আনুষ্ঠানিক সফর নয়, বরং এটি একটি প্রতীকী পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্কের ক্ষেত্রে সীমান্ত সংযোগ এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
এর আগে গত ২৭ এপ্রিল ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দিনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগের ঘোষণা দেয়।
রাজনৈতিক জীবনে দিনেশ ত্রিবেদী দীর্ঘদিন তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ইউনাইটেড প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স (ইউপিএ) সরকারের সময়ে তিনি ভারতের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন।
তবে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি তৃণমূল কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করেন। পরে একই বছরের মার্চ মাসে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-তে যোগ দেন।
বাংলাদেশে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ে তার যাত্রা শুরু হলো।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
