বাজেটে ইমাম-পুরোহিতদের জন্য ১ হাজার ৮১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সারাদেশে ধর্মীয় উপাসনালয়সহ ইমাম-পুরোহিতদের জন্য ১ হাজার ৮১ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের সময় এ প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা ধর্মীয় বিভাজনের বিপরীতে সংহতি ও সাম্যে বিশ্বাস করি। সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ, মূল্যবোধ ও নৈতিকতা বিকাশ, ধর্মীয় প্রধানদের সামাজিক মর্যাদা ও জীবনমান উন্নয়ন, হজ ব্যবস্থাপনা সহজীকরণ এবং ইসলামী গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের মোট ১০ হাজার টাকা এবং অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পুরোহিত ও সেবায়েতদের মোট ৮ হাজার টাকা মাসিক সম্মানী দেওয়া হচ্ছে। এ পর্যন্ত ৬ হাজার ৪৩৮টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ৯ হাজার ৫২০ জন এই সুবিধার আওতায় এসেছেন। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে ১ হাজার ৮১ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
পর্যায়ক্রমে সব ধর্মীয় উপসনালয়ে এ সুবিধা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে আমির খসরু বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ধাপে ধাপে এই সম্মানী সুবিধা দেশের সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে সম্প্রসারণ করা হবে।
এছাড়া হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও সাশ্রয়ী, সহজ ও সুশৃঙ্খল করতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি ইমাম-মুয়াজ্জিনদের প্রশিক্ষণের সুযোগ ও লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, ওয়াকফ সম্পত্তির অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও উদ্ধার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ১১টি ওয়াকফ এস্টেটের মোট ২৮ দশমিক ২০ একর জমি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা. হা
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের সময় এ প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা ধর্মীয় বিভাজনের বিপরীতে সংহতি ও সাম্যে বিশ্বাস করি। সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ, মূল্যবোধ ও নৈতিকতা বিকাশ, ধর্মীয় প্রধানদের সামাজিক মর্যাদা ও জীবনমান উন্নয়ন, হজ ব্যবস্থাপনা সহজীকরণ এবং ইসলামী গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের মোট ১০ হাজার টাকা এবং অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পুরোহিত ও সেবায়েতদের মোট ৮ হাজার টাকা মাসিক সম্মানী দেওয়া হচ্ছে। এ পর্যন্ত ৬ হাজার ৪৩৮টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ৯ হাজার ৫২০ জন এই সুবিধার আওতায় এসেছেন। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে ১ হাজার ৮১ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
পর্যায়ক্রমে সব ধর্মীয় উপসনালয়ে এ সুবিধা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে আমির খসরু বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ধাপে ধাপে এই সম্মানী সুবিধা দেশের সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে সম্প্রসারণ করা হবে।
এছাড়া হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও সাশ্রয়ী, সহজ ও সুশৃঙ্খল করতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি ইমাম-মুয়াজ্জিনদের প্রশিক্ষণের সুযোগ ও লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, ওয়াকফ সম্পত্তির অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও উদ্ধার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ১১টি ওয়াকফ এস্টেটের মোট ২৮ দশমিক ২০ একর জমি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা. হা
