তেলবাহী ট্যাংকার ও বাণিজ্যিক জাহাজসহ সব ধরনের নৌযানের চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। বৃহস্পতিবার দেশটির সর্বোচ্চ যৌথ সামরিক কমান্ড এ ঘোষণা দেয়।
এদিকে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি এবং হরমুজ প্রণালিতে দুটি জাহাজে হামলার দাবি করেছে তেহরান।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, বুধবার গভীর রাতে চালানো এসব হামলা ছিল ‘ইরানের অব্যাহত আগ্রাসনের’ জবাব। অন্যদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপ, বন্দর আব্বাস ও সিরিক শহরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। দক্ষিণাঞ্চলীয় কারগান শহরেও বিস্ফোরণে হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।
এ পরিস্থিতিতে ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত’ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সংস্থাটি অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র গত এপ্রিলে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি একাধিকবার লঙ্ঘন করেছে।
আইআরজিসি জানিয়েছে, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথে তেলবাহী ট্যাংকার ও বাণিজ্যিক জাহাজসহ সব ধরনের নৌযানের চলাচল বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে মার্কিন সামরিক বাহিনী জাহাজ চলাচলে সহায়তা করেছে বলে ওয়াশিংটনের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে তারা।
এ ছাড়া, দুটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালানোরও দাবি করেছে আইআরজিসি। পাশাপাশি বাহরাইনের শেখ ইসা বিমানঘাঁটি এবং কুয়েতের আলি আল-সালেম ও আহমাদ আল-জাবের বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালানোর কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
এদিকে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি এবং হরমুজ প্রণালিতে দুটি জাহাজে হামলার দাবি করেছে তেহরান।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, বুধবার গভীর রাতে চালানো এসব হামলা ছিল ‘ইরানের অব্যাহত আগ্রাসনের’ জবাব। অন্যদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপ, বন্দর আব্বাস ও সিরিক শহরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। দক্ষিণাঞ্চলীয় কারগান শহরেও বিস্ফোরণে হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।
এ পরিস্থিতিতে ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত’ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সংস্থাটি অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র গত এপ্রিলে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি একাধিকবার লঙ্ঘন করেছে।
আইআরজিসি জানিয়েছে, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথে তেলবাহী ট্যাংকার ও বাণিজ্যিক জাহাজসহ সব ধরনের নৌযানের চলাচল বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে মার্কিন সামরিক বাহিনী জাহাজ চলাচলে সহায়তা করেছে বলে ওয়াশিংটনের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে তারা।
এ ছাড়া, দুটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালানোরও দাবি করেছে আইআরজিসি। পাশাপাশি বাহরাইনের শেখ ইসা বিমানঘাঁটি এবং কুয়েতের আলি আল-সালেম ও আহমাদ আল-জাবের বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালানোর কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
