ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের সবচেয়ে বেশি ফুটবলার খেলবে এবারের বিশ্বকাপে
ফুটবলের বিশ্বকাপ মানেই গোল, ড্রামা আর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াই। আর এতে রয়েছে অনেক আকর্ষণীয় পরিসংখ্যানও। কোন দলের গড় বয়স সবচেয়ে বেশি, কারা সবচেয়ে তরুণ? আর কোন ক্লাব ও লিগ থেকে সবচেয়ে বেশি ফুটবলার খেলতে যাচ্ছেন? সেসব তথ্য নিয়েই এই প্রতিবেদন।
৪৮ দলের ইতিহাসের বৃহত্তম বিশ্বকাপের ঢাক বাজতেই ফুটবল উন্মাদনা তুঙ্গে। আর এবারের বিশ্বকাপে শুধু দেশ নয়, নজরে ক্লাব আর লিগের প্রতিনিধিত্বও। বিশ্বকাপে এবার সবচেয়ে বেশি ফুটবলার পাঠাচ্ছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ।

ক্লাবের হিসাবে সবার ওপরে ম্যানচেস্টার সিটি। ১২টি দেশের হয়ে খেলবেন সিটির ১৯ জন ফুটবলার। এরপর ১৮ জন নিয়ে বায়ার্ন মিউনিখ, ১৬ জনের আর্সেনাল, ১৫ জন নিয়ে প্যারিস সেন্ট জার্মেইন এবং ১৪ জন নিয়ে বার্সেলোনার অবস্থান।
ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের ওপর সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল দল স্পেন। স্প্যানিশ স্কোয়াডের সব ফুটবলারই খেলেন ইউরোপের প্রথম সারির পাঁচটি লিগে।
অন্যদিকে ইউরোপের বাইরের দেশগুলোর মধ্যে আর্জেন্টিনা ও সেনেগালের সবচেয়ে বেশি নির্ভরতা ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের তারকাদের ওপর।
বিশ্বকাপের সবচেয়ে বয়স্ক দল পানামা। দলটির গড় বয়স ৩০ বছর ১৫৫ দিন। এরপর রয়েছে ইরান- ৩০ বছর ১২১ দিন এবং কলম্বিয়া- ৩০ বছর ৩২ দিন।
ব্রাজিল দলেও আছেন তিনজন বয়স্ক খেলোয়াড়। নেইমার, কাসেমিরো ও দানিলোর মতো ৩৪ বছর বয়সী তারকাদের নিয়েই এবং সাম্বা বাহিনীর স্বপ্নযাত্রা।
সবচেয়ে বয়সী ফুটবলারের তালিকায় সবার ওপরে স্কটল্যান্ডের গোলকিপার ক্রেগ গর্ডন। তিনি বিশ্বকাপ শুরু করবেন ৪৩ বছর ১৬২ দিন বয়সে। পর্তুগালের মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ৪১ বছর বয়সে আলো ছড়াতে যাচ্ছেন তার ষষ্ঠ বিশ্বকাপে।
অন্যদিকে সবচেয়ে তরুণ দল নিয়ে বিশ্বকাপে আসছে আইভরি কোস্ট। তাদের গড় বয়স মাত্র ২৫ বছর ৩১০ দিন। এরপর রয়েছে মরক্কো এবং স্পেন। তরুণদের দৌড়ে বসনিয়াও একটি চমক।
এবার সবচেয়ে কম বয়সী ফুটবলার মেক্সিকোর গিলবার্তো মোরা। মাত্র ১৭ বছর ২৪০ দিন বয়সে বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন তিনি। তার পরেই রয়েছেন চেকিয়ার হুগো সোচুরেক। আর সেনেগালের ইব্রাহিম এমবায়ে মাত্র ১৮ পেরিয়েই যাচ্ছেন বিশ্বকাপে।
অভিজ্ঞতা বনাম তারুণ্য, সুপারস্টার বনাম নতুন প্রতিভা—সব হিসাব-নিকাশ এখন মাঠে প্রমাণের অপেক্ষায়।
রিপোর্ট : জেনিয়া চিসিম/মা. হা
৪৮ দলের ইতিহাসের বৃহত্তম বিশ্বকাপের ঢাক বাজতেই ফুটবল উন্মাদনা তুঙ্গে। আর এবারের বিশ্বকাপে শুধু দেশ নয়, নজরে ক্লাব আর লিগের প্রতিনিধিত্বও। বিশ্বকাপে এবার সবচেয়ে বেশি ফুটবলার পাঠাচ্ছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ।
ক্লাবের হিসাবে সবার ওপরে ম্যানচেস্টার সিটি। ১২টি দেশের হয়ে খেলবেন সিটির ১৯ জন ফুটবলার। এরপর ১৮ জন নিয়ে বায়ার্ন মিউনিখ, ১৬ জনের আর্সেনাল, ১৫ জন নিয়ে প্যারিস সেন্ট জার্মেইন এবং ১৪ জন নিয়ে বার্সেলোনার অবস্থান।
ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের ওপর সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল দল স্পেন। স্প্যানিশ স্কোয়াডের সব ফুটবলারই খেলেন ইউরোপের প্রথম সারির পাঁচটি লিগে।
অন্যদিকে ইউরোপের বাইরের দেশগুলোর মধ্যে আর্জেন্টিনা ও সেনেগালের সবচেয়ে বেশি নির্ভরতা ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের তারকাদের ওপর।
বিশ্বকাপের সবচেয়ে বয়স্ক দল পানামা। দলটির গড় বয়স ৩০ বছর ১৫৫ দিন। এরপর রয়েছে ইরান- ৩০ বছর ১২১ দিন এবং কলম্বিয়া- ৩০ বছর ৩২ দিন।
ব্রাজিল দলেও আছেন তিনজন বয়স্ক খেলোয়াড়। নেইমার, কাসেমিরো ও দানিলোর মতো ৩৪ বছর বয়সী তারকাদের নিয়েই এবং সাম্বা বাহিনীর স্বপ্নযাত্রা।
সবচেয়ে বয়সী ফুটবলারের তালিকায় সবার ওপরে স্কটল্যান্ডের গোলকিপার ক্রেগ গর্ডন। তিনি বিশ্বকাপ শুরু করবেন ৪৩ বছর ১৬২ দিন বয়সে। পর্তুগালের মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ৪১ বছর বয়সে আলো ছড়াতে যাচ্ছেন তার ষষ্ঠ বিশ্বকাপে।
অন্যদিকে সবচেয়ে তরুণ দল নিয়ে বিশ্বকাপে আসছে আইভরি কোস্ট। তাদের গড় বয়স মাত্র ২৫ বছর ৩১০ দিন। এরপর রয়েছে মরক্কো এবং স্পেন। তরুণদের দৌড়ে বসনিয়াও একটি চমক।
এবার সবচেয়ে কম বয়সী ফুটবলার মেক্সিকোর গিলবার্তো মোরা। মাত্র ১৭ বছর ২৪০ দিন বয়সে বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন তিনি। তার পরেই রয়েছেন চেকিয়ার হুগো সোচুরেক। আর সেনেগালের ইব্রাহিম এমবায়ে মাত্র ১৮ পেরিয়েই যাচ্ছেন বিশ্বকাপে।
অভিজ্ঞতা বনাম তারুণ্য, সুপারস্টার বনাম নতুন প্রতিভা—সব হিসাব-নিকাশ এখন মাঠে প্রমাণের অপেক্ষায়।
রিপোর্ট : জেনিয়া চিসিম/মা. হা
