ইয়েমেন ও ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সুনির্দিষ্ট হুমকি এবং সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হওয়ায় ইসরায়েল তাদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, জেরুজালেম ও গুশ দান অঞ্চলের পাশাপাশি মধ্য ইসরায়েলের অধিকাংশ এলাকায় সাইরেন বাজানো হচ্ছে। সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার আশঙ্কায় বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইসরায়েলের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপত্তাজনিত কারণে সাময়িকভাবে সব ধরনের বাণিজ্যিক ফ্লাইট চলাচল স্থগিত রাখা হয়েছে। ফলে আপাতত কোনো বিমান ইসরায়েলে অবতরণ বা সেখান থেকে উড্ডয়ন করতে পারছে না।
এদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, ইয়েমেনের দিক থেকেও ইসরায়েলি ভূখণ্ড লক্ষ্য করে একটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। এক বিবৃতিতে আইডিএফ জানায়, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রতিহত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
এর আগে মধ্যরাতে ইরানের রাজধানী তেহরানসহ একাধিক শহরে হামলা চালায় ইসরায়েল। হামলার আওতায় ছিল তেহরান, তাবরিজ ও ইসফাহান। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, এসব শহরে একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, পশ্চিম ও মধ্য ইরানে নির্দিষ্ট সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছিল। লেবাননে ইসরায়েলি হামলাকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হুমকি এবং সামরিক পদক্ষেপের ধারাবাহিকতায় নতুন করে এই সংঘাতের বিস্তার ঘটেছে। ইরানে ইসরায়েলি হামলার পরপরই ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে সতর্কতা সাইরেন বেজে ওঠায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, জেরুজালেম ও গুশ দান অঞ্চলের পাশাপাশি মধ্য ইসরায়েলের অধিকাংশ এলাকায় সাইরেন বাজানো হচ্ছে। সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার আশঙ্কায় বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইসরায়েলের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপত্তাজনিত কারণে সাময়িকভাবে সব ধরনের বাণিজ্যিক ফ্লাইট চলাচল স্থগিত রাখা হয়েছে। ফলে আপাতত কোনো বিমান ইসরায়েলে অবতরণ বা সেখান থেকে উড্ডয়ন করতে পারছে না।
এদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, ইয়েমেনের দিক থেকেও ইসরায়েলি ভূখণ্ড লক্ষ্য করে একটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। এক বিবৃতিতে আইডিএফ জানায়, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রতিহত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
এর আগে মধ্যরাতে ইরানের রাজধানী তেহরানসহ একাধিক শহরে হামলা চালায় ইসরায়েল। হামলার আওতায় ছিল তেহরান, তাবরিজ ও ইসফাহান। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, এসব শহরে একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, পশ্চিম ও মধ্য ইরানে নির্দিষ্ট সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছিল। লেবাননে ইসরায়েলি হামলাকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হুমকি এবং সামরিক পদক্ষেপের ধারাবাহিকতায় নতুন করে এই সংঘাতের বিস্তার ঘটেছে। ইরানে ইসরায়েলি হামলার পরপরই ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে সতর্কতা সাইরেন বেজে ওঠায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
