আসন্ন বাজেটে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেট বরাদ্দ রাখা হচ্ছে স্বাস্থ্য খাতে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষের দুর্ভোগ কমাতে বাজেটের অর্থের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সে সাথে দেশের বাইরে চিকিৎসা নেওয়ার প্রবণতা কমাতে, বাজেটে বেসরকারিখাতকে গুরুত্ব দেওয়ার তাগিদ খাত সংশ্লিষ্টদের।
দেশের স্বাস্থ্যসেবার করুণ দশা নতুন কিছু নয়। বৈশ্বিক মহামারী করোনা কিংবা চলমান হাম পরিস্থিতি চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে দেশের স্বাস্থ্যখাতের বেহাল দশা। সরকারি হাসপাতালে সেবার অবহেলা আর বেসরকারিতে উচ্চ খরচে, ২০২২ সালে দরিদ্র হয়েছে ৬১ লাখ মানুষ। আর সরকারি হাসপাতালে ৬০ ধরনের রোগে মাত্র ১১ শতাংশ মানুষ পান স্বাস্থ্যসেবা।
এমন বাস্তবতায় ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে ৩৫ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেট বরাদ্দ রাখা হচ্ছে স্বাস্থ্য খাতে। আর সরকার থেকে এডিপিতে অন্তত ৫ শতাংশ বরাদ্দ রাখার প্রতিশ্রুতিও আছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইহসান-উল-কবির বলছেন, শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না, সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে তার সুফল প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে হবে। যা চাপ কমাবে সাধারণ মানুষের ওপর।
দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান নিয়ে প্রশ্ন এবং বাড়তি খরচের চাপ থাকায়, প্রতি বছর ভারত, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ডসহ ১৯টিরও বেশি দেশে চিকিৎসা নিতে যান ৮ লাখেরও বেশি মানুষ। যা চাপ বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের উপর। ফলে দেশের স্বাস্থ সেবার মান বাড়াতে, বাজেটে বেসরকারিখাতে বিশেষ নীতিসহায়তার দাবি খাত সংশ্লিষ্টদের।
বিগত সময়ের অব্যস্থাপনা থেকে বেরিয়ে স্বাস্থ্যখাতে বাজেটের অর্থের সঠিক ব্যবহারের তাগিদ দিয়েছেন অর্থনীতি বিশ্লেষক মাজেদুল হক। স্বাস্থ্যের পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষায়ও বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার তাগিদও তার।
রিপোর্ট : মা. সে/মা. হা
দেশের স্বাস্থ্যসেবার করুণ দশা নতুন কিছু নয়। বৈশ্বিক মহামারী করোনা কিংবা চলমান হাম পরিস্থিতি চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে দেশের স্বাস্থ্যখাতের বেহাল দশা। সরকারি হাসপাতালে সেবার অবহেলা আর বেসরকারিতে উচ্চ খরচে, ২০২২ সালে দরিদ্র হয়েছে ৬১ লাখ মানুষ। আর সরকারি হাসপাতালে ৬০ ধরনের রোগে মাত্র ১১ শতাংশ মানুষ পান স্বাস্থ্যসেবা।
এমন বাস্তবতায় ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে ৩৫ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেট বরাদ্দ রাখা হচ্ছে স্বাস্থ্য খাতে। আর সরকার থেকে এডিপিতে অন্তত ৫ শতাংশ বরাদ্দ রাখার প্রতিশ্রুতিও আছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইহসান-উল-কবির বলছেন, শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না, সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে তার সুফল প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে হবে। যা চাপ কমাবে সাধারণ মানুষের ওপর।
দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান নিয়ে প্রশ্ন এবং বাড়তি খরচের চাপ থাকায়, প্রতি বছর ভারত, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ডসহ ১৯টিরও বেশি দেশে চিকিৎসা নিতে যান ৮ লাখেরও বেশি মানুষ। যা চাপ বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের উপর। ফলে দেশের স্বাস্থ সেবার মান বাড়াতে, বাজেটে বেসরকারিখাতে বিশেষ নীতিসহায়তার দাবি খাত সংশ্লিষ্টদের।
বিগত সময়ের অব্যস্থাপনা থেকে বেরিয়ে স্বাস্থ্যখাতে বাজেটের অর্থের সঠিক ব্যবহারের তাগিদ দিয়েছেন অর্থনীতি বিশ্লেষক মাজেদুল হক। স্বাস্থ্যের পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষায়ও বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার তাগিদও তার।
রিপোর্ট : মা. সে/মা. হা
