মাটি ও পরিবেশ উপযোগী বৃক্ষরোপণে গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রীর
মাটির গুণগত মান বজায় এবং স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ সংক্রান্ত এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।
সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের সব অঞ্চলের মাটির বৈশিষ্ট্য এক নয়। যে এলাকায় যে ধরনের মাটি ও পরিবেশ রয়েছে, সে অনুযায়ী গাছ নির্বাচন করে লাগাতে হবে। আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করবে সরকার। এই বৃক্ষরোপন কীভাবে হবে তা নিয়ে আলোচনা হয় বৈঠকে।
তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দিন দিন স্পষ্ট হচ্ছে। ঋতুচক্রেও পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতার ইঙ্গিত দেয়। বনভূমি ও সবুজ আচ্ছাদন কমে যাওয়াকে তিনি এ পরিবর্তনের একটি প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তুলতে ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি গাছ লাগানো হবে। এ কর্মসূচির বাস্তবায়ন পরিকল্পনা নিয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়।
আগামী ১৪ জুন কক্সবাজারের দুলাহাজারা এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, তার মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, পরিবেশ সচিব রায়হান কাওছার, পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক লুৎফুর রহমান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়াউল হক, প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী ও ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সেলের সদস্য জামাইল বশীর জেবি প্রমুখ।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা. হা
আজ শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ সংক্রান্ত এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।
সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের সব অঞ্চলের মাটির বৈশিষ্ট্য এক নয়। যে এলাকায় যে ধরনের মাটি ও পরিবেশ রয়েছে, সে অনুযায়ী গাছ নির্বাচন করে লাগাতে হবে। আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করবে সরকার। এই বৃক্ষরোপন কীভাবে হবে তা নিয়ে আলোচনা হয় বৈঠকে।
তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দিন দিন স্পষ্ট হচ্ছে। ঋতুচক্রেও পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতার ইঙ্গিত দেয়। বনভূমি ও সবুজ আচ্ছাদন কমে যাওয়াকে তিনি এ পরিবর্তনের একটি প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তুলতে ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি গাছ লাগানো হবে। এ কর্মসূচির বাস্তবায়ন পরিকল্পনা নিয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়।
আগামী ১৪ জুন কক্সবাজারের দুলাহাজারা এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, তার মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, পরিবেশ সচিব রায়হান কাওছার, পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক লুৎফুর রহমান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়াউল হক, প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী ও ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সেলের সদস্য জামাইল বশীর জেবি প্রমুখ।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা. হা
