টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে হামলা-অগ্নিসংযোগ
টাঙ্গাইলের গোপালপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘাতের জেরে ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, হত্যাকাণ্ড এবং মাইকিং করে দ্বিতীয় দফা সহিংসতার ডাক দেওয়ার ঘটনায় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে। তবে শুক্রবার (৫ জুন) সকালে এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেওয়ায় জগৎপুরা ও গোলপেঁচা এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
সকালে নলীন বাজার ও জগৎপুরা এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে। পরে জগৎপুরা এলাকায় কয়েকটি ঘরবাড়িতে আগুন দেওয়া হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গোপালপুর উপজেলার নলীন বাজার, গোলপেঁচা এবং ভূঞাপুর উপজেলার জগৎপুরা এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। একই সঙ্গে গোপালপুর অংশের লোকজন মাইকিং করে দ্বিতীয় দফা সহিংসতার আহ্বান জানায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর গোপালপুর ও ভূঞাপুরের স্থানীয় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে। রাত থেকেই ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।
এদিকে দুই উপজেলাজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। উভয় পক্ষই নতুন করে সংঘর্ষের প্রস্তুতি নিয়ে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দোকানে বাকি খাওয়াকে কেন্দ্র করে গত ২২ এপ্রিল গোপালপুর উপজেলার গোলপেঁচা এবং ভূঞাপুর উপজেলার জগৎকুড়া গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার বিকেলে আবারও দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে কালাম তালুকদারসহ অনেকেই আহত হন। পরে আহতদের ভূঞাপুর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফাতেমা কালাম তালুকদারকে মৃত ঘোষণা করেন।
আহতদের মধ্যে অন্যদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষের সময় অন্তত ১০টি বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।
ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাব্বির রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুই পক্ষের সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে পাঁচজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
সকালে নলীন বাজার ও জগৎপুরা এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে। পরে জগৎপুরা এলাকায় কয়েকটি ঘরবাড়িতে আগুন দেওয়া হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গোপালপুর উপজেলার নলীন বাজার, গোলপেঁচা এবং ভূঞাপুর উপজেলার জগৎপুরা এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। একই সঙ্গে গোপালপুর অংশের লোকজন মাইকিং করে দ্বিতীয় দফা সহিংসতার আহ্বান জানায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর গোপালপুর ও ভূঞাপুরের স্থানীয় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে। রাত থেকেই ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।
এদিকে দুই উপজেলাজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। উভয় পক্ষই নতুন করে সংঘর্ষের প্রস্তুতি নিয়ে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দোকানে বাকি খাওয়াকে কেন্দ্র করে গত ২২ এপ্রিল গোপালপুর উপজেলার গোলপেঁচা এবং ভূঞাপুর উপজেলার জগৎকুড়া গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার বিকেলে আবারও দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে কালাম তালুকদারসহ অনেকেই আহত হন। পরে আহতদের ভূঞাপুর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফাতেমা কালাম তালুকদারকে মৃত ঘোষণা করেন।
আহতদের মধ্যে অন্যদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষের সময় অন্তত ১০টি বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।
ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাব্বির রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুই পক্ষের সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে পাঁচজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
