শান্তি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে বাংলাদেশ ও তুরস্ক একসঙ্গে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। একই সঙ্গে তুরস্কের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) করতে বাংলাদেশের আগ্রহের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
শুক্রবার (৬ জুন) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময়বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়। এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়ামসহ দুই দেশের ঊর্ধ্বতন কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।
খলিলুর রহমান বলেন, মুক্ত বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার সুযোগ সম্প্রসারণ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি বলেন, “আমরা তুরস্ককে বাংলাদেশের বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চলে বড় পরিসরে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছি। পাশাপাশি শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা চেয়েছি।”
সংবাদ সম্মেলনে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও সম্মানজনক প্রত্যাবর্তনে তুরস্ক আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার সমর্থন ও কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
হাকান ফিদান জানান, দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে তুরস্ক ২ বিলিয়ন ডলারের সহযোগিতা বৃদ্ধি করেছে। তিনি এ অঞ্চলে শান্তি ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠানো এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন ফোরামে সমর্থন দেওয়ার জন্য তুরস্ককে ধন্যবাদ জানান খলিলুর রহমান।
অন্যদিকে হাকান ফিদান বলেন, জাতীয় নির্বাচনের সফল আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। একই সঙ্গে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানান তিনি।
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, সফরকালে সরকারি নীতিনির্ধারকদের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার সঙ্গেও বৈঠক করতে পারেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এছাড়া শনিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তার সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
শুক্রবার (৬ জুন) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময়বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়। এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়ামসহ দুই দেশের ঊর্ধ্বতন কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।
খলিলুর রহমান বলেন, মুক্ত বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার সুযোগ সম্প্রসারণ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি বলেন, “আমরা তুরস্ককে বাংলাদেশের বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চলে বড় পরিসরে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছি। পাশাপাশি শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা চেয়েছি।”
সংবাদ সম্মেলনে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও সম্মানজনক প্রত্যাবর্তনে তুরস্ক আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার সমর্থন ও কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
হাকান ফিদান জানান, দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে তুরস্ক ২ বিলিয়ন ডলারের সহযোগিতা বৃদ্ধি করেছে। তিনি এ অঞ্চলে শান্তি ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠানো এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন ফোরামে সমর্থন দেওয়ার জন্য তুরস্ককে ধন্যবাদ জানান খলিলুর রহমান।
অন্যদিকে হাকান ফিদান বলেন, জাতীয় নির্বাচনের সফল আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। একই সঙ্গে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানান তিনি।
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, সফরকালে সরকারি নীতিনির্ধারকদের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার সঙ্গেও বৈঠক করতে পারেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এছাড়া শনিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তার সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
