ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। বৃহস্পতিবার (৫ জুন) পুতিনের উদ্দেশে পাঠানো এক খোলা চিঠিতে তিনি এ প্রস্তাব দেন।
চিঠিতে জেলেনস্কি বলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ না এলে ইউক্রেন তার অস্তিত্ব রক্ষায় লড়াই চালিয়ে যাবে। তিনি দাবি করেন, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, মূল্যস্ফীতি এবং জ্বালানি সংকটের কারণে রাশিয়ার সাধারণ মানুষ যুদ্ধ নিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে এবং তারা শান্তি চায়।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, চিঠিটি যুক্তরাষ্ট্রসহ আরও কয়েকটি দেশেও পাঠানো হয়েছে।
জেলেনস্কি বলেন, শান্তির পথ শুরু হতে হবে যুদ্ধের সামনের সারি বা ফ্রন্টলাইন থেকেই। আলোচনা চলাকালে পূর্ণ যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে হবে, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বাভাবিক ও প্রচলিত পদ্ধতি। তার মতে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে সংঘর্ষ বন্ধ হওয়া এলাকাগুলো পর্যবেক্ষণের সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে।
চিঠিতে তিনি বৈঠকের জন্য একটি নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণের প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি যুদ্ধ ও শান্তি বিষয়ক আলোচনা আয়োজনের ক্ষেত্রে সুইজারল্যান্ড, তুরস্ক ও আরব বিশ্বের দেশগুলোর দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথাও উল্লেখ করেন।
পুতিনের উদ্দেশে জেলেনস্কি লেখেন, “এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার পথ বেছে নিতে ভয় পাবেন না। এখন আপনার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এটিই।”
তিনি আরও বলেন, “ইউক্রেন আমাদের দুজনের সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে এই যুদ্ধের অবসান চায়। তবে আপনি যদি এখনও মনে না করেন যে যুদ্ধ শেষ করার সময় এসেছে, তাহলে ইউক্রেন তার অস্তিত্ব রক্ষায় লড়াই চালিয়ে যাবে।”
এদিকে, রুশ প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ক্রেমলিন জানিয়েছে, তারা জেলেনস্কির চিঠি পেয়েছে এবং বিষয়টি পুতিনকে অবহিত করা হবে।
অন্যদিকে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা জানিয়েছেন, কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমেও চিঠিটি আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠানো হবে। তিনি বলেন, “আমরা এই প্রস্তাবের একটি অর্থবহ জবাব আশা করছি। যুদ্ধ শেষ করার সময় এসেছে। এখন শান্তিকে বেছে নেওয়ার সময়।”
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
চিঠিতে জেলেনস্কি বলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ না এলে ইউক্রেন তার অস্তিত্ব রক্ষায় লড়াই চালিয়ে যাবে। তিনি দাবি করেন, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, মূল্যস্ফীতি এবং জ্বালানি সংকটের কারণে রাশিয়ার সাধারণ মানুষ যুদ্ধ নিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে এবং তারা শান্তি চায়।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, চিঠিটি যুক্তরাষ্ট্রসহ আরও কয়েকটি দেশেও পাঠানো হয়েছে।
জেলেনস্কি বলেন, শান্তির পথ শুরু হতে হবে যুদ্ধের সামনের সারি বা ফ্রন্টলাইন থেকেই। আলোচনা চলাকালে পূর্ণ যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে হবে, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বাভাবিক ও প্রচলিত পদ্ধতি। তার মতে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে সংঘর্ষ বন্ধ হওয়া এলাকাগুলো পর্যবেক্ষণের সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে।
চিঠিতে তিনি বৈঠকের জন্য একটি নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণের প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি যুদ্ধ ও শান্তি বিষয়ক আলোচনা আয়োজনের ক্ষেত্রে সুইজারল্যান্ড, তুরস্ক ও আরব বিশ্বের দেশগুলোর দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথাও উল্লেখ করেন।
পুতিনের উদ্দেশে জেলেনস্কি লেখেন, “এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার পথ বেছে নিতে ভয় পাবেন না। এখন আপনার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এটিই।”
তিনি আরও বলেন, “ইউক্রেন আমাদের দুজনের সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে এই যুদ্ধের অবসান চায়। তবে আপনি যদি এখনও মনে না করেন যে যুদ্ধ শেষ করার সময় এসেছে, তাহলে ইউক্রেন তার অস্তিত্ব রক্ষায় লড়াই চালিয়ে যাবে।”
এদিকে, রুশ প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ক্রেমলিন জানিয়েছে, তারা জেলেনস্কির চিঠি পেয়েছে এবং বিষয়টি পুতিনকে অবহিত করা হবে।
অন্যদিকে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা জানিয়েছেন, কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমেও চিঠিটি আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠানো হবে। তিনি বলেন, “আমরা এই প্রস্তাবের একটি অর্থবহ জবাব আশা করছি। যুদ্ধ শেষ করার সময় এসেছে। এখন শান্তিকে বেছে নেওয়ার সময়।”
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
