চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় তিন নারীসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর, শিবগঞ্জ ও নাচোল উপজেলায় এসব মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন সদর উপজেলার আতাহার এলাকার আব্দুল্লাহ, শিবগঞ্জ উপজেলার চকনরেন্দ্র গ্রামের মাহমুদা আক্তার, রানীবাড়ি বাজারপাড়া এলাকার সাদিয়া খাতুন, শিকারপুর দক্ষিণপাড়ার মেসবাউল এবং নাচোল উপজেলার লাহাবাড়ি গ্রামের সুমিয়ারা বেগম।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান তিনজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিকেলে বৃষ্টিপাত শুরু হলে শিবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আম কুড়াতে বাড়ির পাশের আমবাগানে যান মাহমুদা আক্তার, সাদিয়া খাতুন ও মেসবাউল। এ সময় বজ্রপাতের আঘাতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, নিহত তিন পরিবারের প্রত্যেককে তাৎক্ষণিকভাবে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে সদর উপজেলার আতাহার এলাকায় বৃষ্টির মধ্যে মাঠ থেকে গরু আনতে গেলে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন আব্দুল্লাহ। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতাল-এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে নাচোল উপজেলার লাহাবাড়ি এলাকায় মাঠে ঘাস কাটার কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে প্রাণ হারান সুমিয়ারা বেগম।
নাচোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সদর ও নাচোল উপজেলার নিহতদের পরিবারকেও ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
হঠাৎ বজ্রপাতের এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় প্রশাসন বর্ষাকালে বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, গাছের নিচে অবস্থান এবং ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে যাওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
নিহতরা হলেন সদর উপজেলার আতাহার এলাকার আব্দুল্লাহ, শিবগঞ্জ উপজেলার চকনরেন্দ্র গ্রামের মাহমুদা আক্তার, রানীবাড়ি বাজারপাড়া এলাকার সাদিয়া খাতুন, শিকারপুর দক্ষিণপাড়ার মেসবাউল এবং নাচোল উপজেলার লাহাবাড়ি গ্রামের সুমিয়ারা বেগম।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান তিনজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিকেলে বৃষ্টিপাত শুরু হলে শিবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আম কুড়াতে বাড়ির পাশের আমবাগানে যান মাহমুদা আক্তার, সাদিয়া খাতুন ও মেসবাউল। এ সময় বজ্রপাতের আঘাতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, নিহত তিন পরিবারের প্রত্যেককে তাৎক্ষণিকভাবে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে সদর উপজেলার আতাহার এলাকায় বৃষ্টির মধ্যে মাঠ থেকে গরু আনতে গেলে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন আব্দুল্লাহ। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতাল-এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে নাচোল উপজেলার লাহাবাড়ি এলাকায় মাঠে ঘাস কাটার কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে প্রাণ হারান সুমিয়ারা বেগম।
নাচোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সদর ও নাচোল উপজেলার নিহতদের পরিবারকেও ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
হঠাৎ বজ্রপাতের এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় প্রশাসন বর্ষাকালে বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, গাছের নিচে অবস্থান এবং ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে যাওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
