একইসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ-এর ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালনে কোনো জটিলতা দেখছেন না খলিলুর রহমান। তিনি বলেছেন, অতীতেও এমন নজির রয়েছে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফেরার পর বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
দুই দায়িত্ব একসঙ্গে পালন করা সম্ভব কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে খলিলুর রহমান বলেন, “এর নজির রয়েছে। আজ থেকে ৪০ বছর আগে আমাদের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। আমি তখন তাঁর একান্ত সচিব ছিলাম। তিনি দুই দায়িত্বই পূর্ণকালীনভাবে পালন করেছিলেন।”
তিনি আরও বলেন, সে সময় ছিল ইন্টারনেট-পূর্ব যুগ। বর্তমানে প্রযুক্তিগত সুবিধার কারণে একইসঙ্গে একাধিক দায়িত্ব পালন করা আরও সহজ ও স্বাভাবিক।
জার্মানির এক সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের উদাহরণ প্রসঙ্গে খলিলুর রহমান বলেন, বিষয়টি ভিন্ন ছিল। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একটি রাজনৈতিক দলের নেতা ছিলেন এবং নির্বাচনে দল পরাজিত হওয়ায় তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে থাকতে পারেননি।
নিজের বিজয়কে বাংলাদেশের অর্জন হিসেবে উল্লেখ করে খলিলুর রহমান বলেন, “এই বিজয় বাংলাদেশের বিজয়। এই বিজয় সরকারের এবং দেশের মানুষের। আমরা এই সাফল্য বাংলাদেশের ভবিষ্যতের কাছে উৎসর্গ করছি।”
গত মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদরদপ্তর-এ অনুষ্ঠিত ভোটে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। গোপন ব্যালটে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মোট ১৯০টি ভোটের মধ্যে খলিলুর রহমান পান ৯৯ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী আন্দ্রেজ কাকাউরিস পান ৯১ ভোট।
এর মাধ্যমে প্রায় চার দশক পর আবারও বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদ লাভ করল। এর আগে ১৯৮৬ সালে হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী এ দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
এক বছরের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন খলিলুর রহমান, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফেরার পর বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
দুই দায়িত্ব একসঙ্গে পালন করা সম্ভব কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে খলিলুর রহমান বলেন, “এর নজির রয়েছে। আজ থেকে ৪০ বছর আগে আমাদের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। আমি তখন তাঁর একান্ত সচিব ছিলাম। তিনি দুই দায়িত্বই পূর্ণকালীনভাবে পালন করেছিলেন।”
তিনি আরও বলেন, সে সময় ছিল ইন্টারনেট-পূর্ব যুগ। বর্তমানে প্রযুক্তিগত সুবিধার কারণে একইসঙ্গে একাধিক দায়িত্ব পালন করা আরও সহজ ও স্বাভাবিক।
জার্মানির এক সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের উদাহরণ প্রসঙ্গে খলিলুর রহমান বলেন, বিষয়টি ভিন্ন ছিল। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একটি রাজনৈতিক দলের নেতা ছিলেন এবং নির্বাচনে দল পরাজিত হওয়ায় তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে থাকতে পারেননি।
নিজের বিজয়কে বাংলাদেশের অর্জন হিসেবে উল্লেখ করে খলিলুর রহমান বলেন, “এই বিজয় বাংলাদেশের বিজয়। এই বিজয় সরকারের এবং দেশের মানুষের। আমরা এই সাফল্য বাংলাদেশের ভবিষ্যতের কাছে উৎসর্গ করছি।”
গত মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদরদপ্তর-এ অনুষ্ঠিত ভোটে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। গোপন ব্যালটে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মোট ১৯০টি ভোটের মধ্যে খলিলুর রহমান পান ৯৯ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী আন্দ্রেজ কাকাউরিস পান ৯১ ভোট।
এর মাধ্যমে প্রায় চার দশক পর আবারও বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদ লাভ করল। এর আগে ১৯৮৬ সালে হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী এ দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
এক বছরের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন খলিলুর রহমান, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
