ATN
শিরোনাম
  •  

নিম্ন আয়ের গ্রাহকদের বিদ্যুতের বাড়তি দাম প্রত্যাহার

         
নিম্ন আয়ের গ্রাহকদের বিদ্যুতের বাড়তি দাম প্রত্যাহার

নিম্ন আয়ের গ্রাহকদের বিদ্যুতের বাড়তি দাম প্রত্যাহার

প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের গ্রাহকদের ওপর আর্থিক চাপ কমাতে লাইফলাইন ও প্রথম ধাপের আবাসিক গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের বাড়তি মূল্য প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা ও কোম্পানিগুলোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়। নতুন মূল্যহার চলতি জুন মাস থেকেই কার্যকর হবে।

সংশোধিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আবাসিক গ্রাহকশ্রেণির লাইফলাইন (০–৫০ ইউনিট) বিদ্যুতের দাম ইউনিটপ্রতি ৪ টাকা ৬৩ পয়সা এবং প্রথম ধাপের (০–৭৫ ইউনিট) বিদ্যুতের দাম ইউনিটপ্রতি ৫ টাকা ২৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে বুধবার ঘোষিত নতুন ট্যারিফে লাইফলাইন গ্রাহকদের জন্য ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের দাম ৪ টাকা ৬৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৫ টাকা ৩২ পয়সা করা হয়েছিল। ফলে প্রতি ইউনিটে ৬৯ পয়সা বা প্রায় ১৫ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি পেত। নতুন সিদ্ধান্তে সেই বাড়তি মূল্য সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে লাইফলাইন গ্রাহকের সংখ্যা ১ কোটি ৭৮ লাখ ৮২ হাজার ৩৮০। এর মধ্যে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি)-এর আওতাধীন সমিতিগুলোতে রয়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৯১টি সংযোগ। দীর্ঘদিন ধরে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার ভর্তুকি মূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে আসছে।

তবে লাইফলাইন ও প্রথম ধাপের আবাসিক গ্রাহকদের জন্য মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার করা হলেও অন্য সব শ্রেণির গ্রাহকদের ক্ষেত্রে বুধবার ঘোষিত নতুন ট্যারিফই বহাল থাকবে।

নতুন ট্যারিফ অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বাড়িয়ে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে পাইকারি বিদ্যুতের দাম বেড়েছে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

অন্যদিকে খুচরা পর্যায়ে গড় বিদ্যুতের মূল্য প্রতি ইউনিট ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা করা হয়েছে। ফলে খুচরা পর্যায়ে প্রতি ইউনিটে ১ টাকা ৫২ পয়সা বা ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিইআরসির এ সিদ্ধান্তে দেশের কোটি কোটি নিম্ন আয়ের ও প্রান্তিক পরিবারের বিদ্যুৎ ব্যয়ে তাৎক্ষণিক স্বস্তি ফিরবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ