দাদি ও বাবার কবরের পাশে তিনটি গাছ লাগিয়েছিলেন। চুরি হয়ে যায় সেই গাছ। ক্ষোভ বা প্রতিশোধের পথ বেছে না নিয়ে উল্টো পুরো গ্রামকে ফুলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছেন এক যুবক। এলাকার ৫শ’ বাড়ির সামনে ১ হাজার ৫০০টি ফুলগাছ রোপণ করেছেন ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার পূর্ব শ্যামপুর গ্রামের হাওলাদার শামীম আহমেদ।
দাদি ও বাবার কবরের পাশে হাসনুহেনা, কামিনী ও শিউলীর তিনটি ফুলগাছ রোপণ করেছিলেন শামীম আহমেদ। যত্ন ও পরিচর্যায় গাছে ফুল আসতে শুরু করে। ফুল ফোটার পরদিন সকালে কবরস্থানে গিয়ে তিনি দেখেন, ফুটন্ত ফুল গাছসহ তিনটি গাছই চুরি হয়ে গেছে! কষ্ট পেলেও চোরের প্রতি ক্ষোভ না দেখিয়ে ভিন্নভাবে বিষয়টি দেখেন শামীম। যে গাছগুলো চুরি করেছে, সে নিশ্চয়ই ফুল ভালোবাসে। আর সেই ভাবনা থেকেই সিদ্ধান্ত নেন, একটি বা দুটি নয়, পুরো এলাকা ফুলে ফুলে ভরিয়ে তুলবেন।
সেই মতে, ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার পূর্ব শ্যামপুর গ্রামের প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কের দুই পাশের ৫০০ বাড়ির সামনে তিনটি করে মোট ১ হাজার ৫০০টি ফুলগাছ রোপণ শুরু করেন শামীম। প্রিয়জনের কবর থেকে চুরি হয়ে যাওয়া সেই হাসনাহেনা, কামিনী ও শিউলী ফুলের গাছই লাগিয়েছেন তিনি। আর সবার প্রতি জানাচ্ছেন এদের পরিচর্যার অনুরোধ।
এমন ব্যতিক্রমী ভাবনা ও উদ্যোগে চমকিত এলাকাবাসী। কিছু দিনের মধ্যে এসব গাছে ফুল ফুটবে, সুগন্ধে ভরে উঠবে পুরো গ্রাম। তারা সবাই এখন এক সুবাসিত গ্রামের অপেক্ষায়।
গ্রামবাসী মনে করছেন, নেতিবাচক ঘটনার এমন ইতিবাচক সমাধান, উদাহরণ ও অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে সকলের জন্য।
রিপোর্ট : কা.সো/জেড.এস
দাদি ও বাবার কবরের পাশে হাসনুহেনা, কামিনী ও শিউলীর তিনটি ফুলগাছ রোপণ করেছিলেন শামীম আহমেদ। যত্ন ও পরিচর্যায় গাছে ফুল আসতে শুরু করে। ফুল ফোটার পরদিন সকালে কবরস্থানে গিয়ে তিনি দেখেন, ফুটন্ত ফুল গাছসহ তিনটি গাছই চুরি হয়ে গেছে! কষ্ট পেলেও চোরের প্রতি ক্ষোভ না দেখিয়ে ভিন্নভাবে বিষয়টি দেখেন শামীম। যে গাছগুলো চুরি করেছে, সে নিশ্চয়ই ফুল ভালোবাসে। আর সেই ভাবনা থেকেই সিদ্ধান্ত নেন, একটি বা দুটি নয়, পুরো এলাকা ফুলে ফুলে ভরিয়ে তুলবেন।
সেই মতে, ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার পূর্ব শ্যামপুর গ্রামের প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কের দুই পাশের ৫০০ বাড়ির সামনে তিনটি করে মোট ১ হাজার ৫০০টি ফুলগাছ রোপণ শুরু করেন শামীম। প্রিয়জনের কবর থেকে চুরি হয়ে যাওয়া সেই হাসনাহেনা, কামিনী ও শিউলী ফুলের গাছই লাগিয়েছেন তিনি। আর সবার প্রতি জানাচ্ছেন এদের পরিচর্যার অনুরোধ।
এমন ব্যতিক্রমী ভাবনা ও উদ্যোগে চমকিত এলাকাবাসী। কিছু দিনের মধ্যে এসব গাছে ফুল ফুটবে, সুগন্ধে ভরে উঠবে পুরো গ্রাম। তারা সবাই এখন এক সুবাসিত গ্রামের অপেক্ষায়।
গ্রামবাসী মনে করছেন, নেতিবাচক ঘটনার এমন ইতিবাচক সমাধান, উদাহরণ ও অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে সকলের জন্য।
রিপোর্ট : কা.সো/জেড.এস
