ইরানের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান, নাকি চুড়ান্ত হামলা- এই সিদ্ধান্তে কঠিন প্রশ্নের মুখে পড়েছেন বলে নিজেই স্বীকার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। পাশাপাশি ইরানের বিরুদ্ধে তার যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা সীমিত করতে একটি প্রস্তাব পাস করেছে মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ। অন্যদিকে শর্ত সাপেক্ষে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল ও লেবানন।
ইরান যুদ্ধে মানবিক দৃষ্টিকোন বিবেচনায় আলোচনার পথটিই বেছে নিতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তার ভাষায় বিকল্প পথ অর্থাৎ চুড়ান্ত হামলার বিষয়টি খুব একটা সুখকর হবে না। নিউইয়র্ক পোস্টের পডকাস্টে এসব কথা অকপেটে স্বীকার করেছেন ট্রাম্প।
ইরানে এখনই স্থলবাহিনী পাঠানো হবে কি না, সে বিষয়টিও স্পষ্ট করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, এখনই স্থলবাহিনী পাঠানোর কোনো প্রয়োজন নেই। এ সময় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনির সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।
লেবানন ইস্যুতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে উত্তপ্ত ফোনালাপের কথা স্বীকার করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে বিরক্ত হয়েই তাকে পাগল বলেছিলেন তিনি। তবে ওই উত্তপ্ত ফোনালাপের পরও নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার সম্পর্ক অটুট রয়েছে বলে জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনা ‘খুব ভালোভাবে এগিয়ে চলেছে এবং চলতি সপ্তাহের শেষ নাগাদ এর একটি ইতিবাচক ফলাফল আসতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ট্রাম্প। বুধবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গেই হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া হবে।
যুদ্ধ পরিচালনা নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে কিছু কৌশলগত দ্বিমতের কথা স্বীকার করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুও। তবে ইরানকে পরমাণু অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখাসহ সামগ্রিকভাবে অনেক বিষয়ে তারা একমত বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী।
এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনায় ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করে মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ একটি প্রস্তাব পাস করেছে। নিজের দল রিপাবলিকান পার্টির নিয়ন্ত্রণাধীন নিম্নকক্ষে এমন প্রস্তাব পাস হওয়ার বিষয়টি ট্রাম্পের জন্য একটি কঠিন ও বিরল ধাক্কা। ডেমোক্র্যাটদের আনা ‘ওয়ার পাওয়ারস প্রস্তাবটি ২১৫-২০৮ ভোটে পাস হয়। বিলটি যদি উচ্চকক্ষ সিনেটেও পাস হয়, তাহলে প্রেসিডেন্টে স্বাক্ষরের মাধ্যমে এটি আইনে পরিণত হবে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, নিজের ক্ষমতা সীমিত করার যেকোনো প্রচেষ্টায় ভেটো দেবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
অন্যদিকে, ইসরায়েল ও লেবানন শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। তবে এ যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি কার্যকর হওয়া নির্ভর করছে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর হামলা সম্পূর্ণভাবে বন্ধের ওপর। সেই সঙ্গে দক্ষিণ লেবানন থেকে এ গোষ্ঠীর সদস্যদের সরিয়ে নিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে এক আলোচনার পর বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি স্পষ্ট করে বলেছেন, তেহরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরোধ তখনই শেষ হবে, যখন লেবাননে হামলা বন্ধ হবে।
রিপোর্ট : অ. মৈ/মা. হা
ইরান যুদ্ধে মানবিক দৃষ্টিকোন বিবেচনায় আলোচনার পথটিই বেছে নিতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তার ভাষায় বিকল্প পথ অর্থাৎ চুড়ান্ত হামলার বিষয়টি খুব একটা সুখকর হবে না। নিউইয়র্ক পোস্টের পডকাস্টে এসব কথা অকপেটে স্বীকার করেছেন ট্রাম্প।
ইরানে এখনই স্থলবাহিনী পাঠানো হবে কি না, সে বিষয়টিও স্পষ্ট করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, এখনই স্থলবাহিনী পাঠানোর কোনো প্রয়োজন নেই। এ সময় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনির সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।
লেবানন ইস্যুতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে উত্তপ্ত ফোনালাপের কথা স্বীকার করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে বিরক্ত হয়েই তাকে পাগল বলেছিলেন তিনি। তবে ওই উত্তপ্ত ফোনালাপের পরও নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার সম্পর্ক অটুট রয়েছে বলে জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনা ‘খুব ভালোভাবে এগিয়ে চলেছে এবং চলতি সপ্তাহের শেষ নাগাদ এর একটি ইতিবাচক ফলাফল আসতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ট্রাম্প। বুধবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গেই হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া হবে।
যুদ্ধ পরিচালনা নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে কিছু কৌশলগত দ্বিমতের কথা স্বীকার করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুও। তবে ইরানকে পরমাণু অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখাসহ সামগ্রিকভাবে অনেক বিষয়ে তারা একমত বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী।
এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনায় ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করে মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ একটি প্রস্তাব পাস করেছে। নিজের দল রিপাবলিকান পার্টির নিয়ন্ত্রণাধীন নিম্নকক্ষে এমন প্রস্তাব পাস হওয়ার বিষয়টি ট্রাম্পের জন্য একটি কঠিন ও বিরল ধাক্কা। ডেমোক্র্যাটদের আনা ‘ওয়ার পাওয়ারস প্রস্তাবটি ২১৫-২০৮ ভোটে পাস হয়। বিলটি যদি উচ্চকক্ষ সিনেটেও পাস হয়, তাহলে প্রেসিডেন্টে স্বাক্ষরের মাধ্যমে এটি আইনে পরিণত হবে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, নিজের ক্ষমতা সীমিত করার যেকোনো প্রচেষ্টায় ভেটো দেবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
অন্যদিকে, ইসরায়েল ও লেবানন শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। তবে এ যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি কার্যকর হওয়া নির্ভর করছে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর হামলা সম্পূর্ণভাবে বন্ধের ওপর। সেই সঙ্গে দক্ষিণ লেবানন থেকে এ গোষ্ঠীর সদস্যদের সরিয়ে নিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে এক আলোচনার পর বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি স্পষ্ট করে বলেছেন, তেহরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরোধ তখনই শেষ হবে, যখন লেবাননে হামলা বন্ধ হবে।
রিপোর্ট : অ. মৈ/মা. হা
