রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশু রামিসাকে হত্যা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে গতকাল। আজ থেকে শুরু হয়েছে সাক্ষ্যগ্রহণ।
আজ মঙ্গলবার (০২ জুন) সকালে রামিসার বাবা ও বড় বোনসহ পরিবারের সদস্যরা আদালতে হাজির হয়েছেন সাক্ষ্য দিতে। ১০টা ৩৮ মিনিটে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।
প্রথম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দিচ্ছেন রামিসার বাবা ও মামলার এজাহারকারী আব্দুল হান্নান মোল্লা। ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে চলছে এই সাক্ষ্যগ্রহণ। সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ১৭ জনকে সমন পাঠানো হয়েছে আদালত থেকে।
তবে আজ প্রথম দিনে কতজনের সাক্ষ্য নেয়া হবে, তা নির্ভর করছে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকিনের ওপর।
সোমবার (০১ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে মামলাটির অভিযোগ গঠন শুনানি শেষে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য এদিন ধার্য করা হয়। এর মাধ্যমে মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের পর্যায়ে প্রবেশ করছে।
আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, শুনানিতে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও অপর আসামি স্বপ্না আক্তারকে উপস্থিত করে শুনানি গ্রহণ করা হয়। শুনানি শেষে আদালত মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে পাঠিয়ে পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য ২ জুন দিন ধার্য করেন।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, গত ২৪ মে আদালত পুলিশের দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ১ জুন অভিযোগ গঠন শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন। তদন্তে ডিএনএ রিপোর্ট, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং ফরেনসিক আলামতের ভিত্তিতে অভিযোগপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নেয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা।
এক পর্যায়ে আসামির ঘরের সামনে শিশুটির একটি স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে দেখতে পান সোহেল রানার শোবার ঘরের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা বাথরুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে পড়ে রয়েছে।
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহ উদ্ধারের পর স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ঘটনায় রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। তদন্তের এক পর্যায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে। বর্তমানে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হওয়ার মধ্য দিয়ে বিচার প্রক্রিয়া আরও একধাপ এগিয়ে যাচ্ছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা. হা
আজ মঙ্গলবার (০২ জুন) সকালে রামিসার বাবা ও বড় বোনসহ পরিবারের সদস্যরা আদালতে হাজির হয়েছেন সাক্ষ্য দিতে। ১০টা ৩৮ মিনিটে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।
প্রথম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দিচ্ছেন রামিসার বাবা ও মামলার এজাহারকারী আব্দুল হান্নান মোল্লা। ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে চলছে এই সাক্ষ্যগ্রহণ। সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ১৭ জনকে সমন পাঠানো হয়েছে আদালত থেকে।
তবে আজ প্রথম দিনে কতজনের সাক্ষ্য নেয়া হবে, তা নির্ভর করছে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকিনের ওপর।
সোমবার (০১ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে মামলাটির অভিযোগ গঠন শুনানি শেষে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য এদিন ধার্য করা হয়। এর মাধ্যমে মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের পর্যায়ে প্রবেশ করছে।
আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, শুনানিতে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও অপর আসামি স্বপ্না আক্তারকে উপস্থিত করে শুনানি গ্রহণ করা হয়। শুনানি শেষে আদালত মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে পাঠিয়ে পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য ২ জুন দিন ধার্য করেন।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, গত ২৪ মে আদালত পুলিশের দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ১ জুন অভিযোগ গঠন শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন। তদন্তে ডিএনএ রিপোর্ট, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং ফরেনসিক আলামতের ভিত্তিতে অভিযোগপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নেয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা।
এক পর্যায়ে আসামির ঘরের সামনে শিশুটির একটি স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে দেখতে পান সোহেল রানার শোবার ঘরের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা বাথরুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে পড়ে রয়েছে।
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহ উদ্ধারের পর স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ঘটনায় রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। তদন্তের এক পর্যায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে। বর্তমানে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হওয়ার মধ্য দিয়ে বিচার প্রক্রিয়া আরও একধাপ এগিয়ে যাচ্ছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা. হা
