রামিসা হত্যা : আদালতে হাজির প্রধান আসামি সোহেল ও তার স্ত্রী
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালতে হাজির করা হয়েছে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে। আসামিদের উপস্থিতিতে আজ ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠন শুনানি হবে।
আজ সোমবার (০১ মে) সকাল পৌনে ৮টার দিকে প্রিজনভ্যানে করে তাদের আনা হয় আদালতে। এরপর রাখা হয় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায়।
ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত গত ২৪ মে চার্জশিট আমলে নিয়ে আজকের দিন অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য নির্ধারণ করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
পরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চার্জশিট গ্রহণ করে মামলাটি শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
অভিযোগপত্রে প্রধান আসামি সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যা এবং স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অপরাধে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। ডিএনএ রিপোর্ট, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও ফরেনসিক আলামতের ভিত্তিতে চার্জশিট প্রস্তুত করা হয়েছে বলে তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসা বাসা থেকে বের হলে আসামি সোহেল রানা কৌশলে তাকে ভবনের তৃতীয় তলার একটি রুমে নিয়ে যায়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের রুমের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পেয়ে ডাকাডাকি করে তার মা। সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার মা ফ্ল্যাটের অন্যদের নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। সোহেল ও স্বপ্নার শোবার ঘরে রামিসার মাথাবিহীন দেহ এবং বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পান। স্বপ্না সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
ঘটনার দিনই দুইজনকে আসামি করে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা। ওইদিনই প্রথমে গ্রেপ্তার করা হয় স্বপ্না আক্তারকে। পরে সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন ২০ মে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। একইদিন আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা. হা
আজ সোমবার (০১ মে) সকাল পৌনে ৮টার দিকে প্রিজনভ্যানে করে তাদের আনা হয় আদালতে। এরপর রাখা হয় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায়।
ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত গত ২৪ মে চার্জশিট আমলে নিয়ে আজকের দিন অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য নির্ধারণ করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
পরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চার্জশিট গ্রহণ করে মামলাটি শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
অভিযোগপত্রে প্রধান আসামি সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যা এবং স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অপরাধে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। ডিএনএ রিপোর্ট, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও ফরেনসিক আলামতের ভিত্তিতে চার্জশিট প্রস্তুত করা হয়েছে বলে তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসা বাসা থেকে বের হলে আসামি সোহেল রানা কৌশলে তাকে ভবনের তৃতীয় তলার একটি রুমে নিয়ে যায়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের রুমের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পেয়ে ডাকাডাকি করে তার মা। সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার মা ফ্ল্যাটের অন্যদের নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। সোহেল ও স্বপ্নার শোবার ঘরে রামিসার মাথাবিহীন দেহ এবং বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পান। স্বপ্না সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
ঘটনার দিনই দুইজনকে আসামি করে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা। ওইদিনই প্রথমে গ্রেপ্তার করা হয় স্বপ্না আক্তারকে। পরে সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন ২০ মে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। একইদিন আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা. হা
