ATN
শিরোনাম
  •  

নতুন সরকারের প্রথম বাজেট : ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে উত্তরণের প্রতিশ্রুতির আশা

         
নতুন সরকারের প্রথম বাজেট : ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে উত্তরণের প্রতিশ্রুতির আশা

নতুন সরকারের প্রথম বাজেট : ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে উত্তরণের প্রতিশ্রুতির আশা

আসছে নতুন সরকারের প্রথম বাজেট। একদিকে নির্বাচনী ইশতেহার পূরণের প্রতিশ্রুতি, ঋণ পরিশোধের চাপ অন্যদিকে থাকছে ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে উত্তরণের চেষ্টা। সব মিলিয়ে বাজেটটি হতে যাচ্ছে কঠিন পরীক্ষার এক মঞ্চ। অর্থনীতির বর্তমান সংকট ব্যবস্থাপনায় বাজারমুখী সংস্কার নাকি সামাজিক সুরক্ষাভিত্তিক ব্যয়ের মডেল? কোন পথে আগাবে আগামীর বাজেট?

২০ বছর আগে বিএনপি সরকারের শেষ বাজেট দিয়েছিলেন প্রয়াত অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান। যেখানে চেষ্টা ছিল বেসরকারিখাত, বিনিয়োগ আর ব্যবসাবন্ধব নীতির ওপর দিয়েই অর্থনীতির ভিত গড়ে তোলার।

তবে ২০ বছর পরে অর্থনীতির গতিপ্রকৃতি যেমন পাল্টেছে তেমনি এসেছে অনেক চ্যালেঞ্জ। নতুন সরকার যখন দায়িত্ব নিলেন তখন অর্থনীতি ভঙ্গুরপ্রায়। অর্থনীতির বেশিরভাগ সূচকই নিম্নগামী। বিপরীতে নতুন সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশাও বিপুল। ঠিক সে রকম বাস্তবতায় সাইফুর রহমানের উত্তরাধিকার হিসেবে নতুন বাজেট দিচ্ছেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এটি হচ্ছে তার প্রথম বাজেট।

তবে ছোট নয়, প্রথম বাজেটের আকার বড়ই হচ্ছে। আকার সম্ভাব্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার। বর্তমানের চেয়ে বড় প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা। নানা পদক্ষেপে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে মুল্যস্ফীতি ধরে রাখার চেষ্টা ৭ থেকে সাড়ে সাত শতাংশে। বিদ্যুত এলএনজি, সার, খোলাবাজারে পণ্য বিক্রি, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ মোট ভর্তুকি থাকছে ১ লাখ কোটি টাকার বেশি।

বাজেটে আমলে নিতে হচ্ছে রাজনৈতিক বাস্তবতাও। নির্বাচনী ইশতেহারে কর্মসংস্থান, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষককার্ড, হেলথ কার্ডসহ সামাজিক নিরাপত্তায় নতুনত্ব আনা, বিদ্যুত জ্বালানির নিশ্চয়তা, কৃষি, স্বাস্থ্য শিক্ষা, শিল্প নানা খাতে বড় বড় প্রতিশ্রুতি। সব মিলে উন্নয়ন বাজেট বড়ই করতে হচ্ছে সরকারকে, যা প্রায় তিন লাখ কোটি টাকার ওপরে। যার মাধ্যমে সরকার জিডিপির প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে চায় ৬ থেকে সাড়ে ছয় শতাংশ।

ছবি
তবে সাধ থাকলেও, সাধ্য কম সরকারের। সরকারের মাথার ওপর বড় ঋণের বোঝা রয়েছে। অন্যদিকে কম রাজস্ব আদায়ও। তারপরেও আয়ের লক্ষ্যমাত্রা বড়ই ধরতে হচ্ছে সরকারকে –টার্গেট প্রায় ৭ লাখ কোটি টাকা। যার বড় অংশই এনবিআরের।

একদিকে আয় করতে গিয়ে জনগণের ওপর করের বোঝা, অন্যদিকে নানাভাবে সেই জনগণকেই স্বস্তি দেয়ার চেষ্টা। এই কঠিন সমীকরণ কীভাবে মেলাবেন অর্থমন্ত্রী তাই এখন দেখার পালা।

রিপোর্ট : গো. কা. র/মা. হা
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট অর্থনীতি সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ