পরমাণু অস্ত্র তৈরি করবে না, গ্যারান্টি দিয়েছে ইরান : ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান কখনও পরমাণু অস্ত্র তৈরি করবে না— এমন গ্যারান্টি তেহরানের কাছ থেকে পেয়েছেন তিনি। গতকাল শনিবার এক সাক্ষাৎকারে এই দাবি করেছেন তিনি।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাক্ষাৎকারটি নিয়েছিলেন তার পুত্রবধূ লারা ট্রাম্প। লারা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের তৃতীয় সন্তান এরিক ট্রাম্পের স্ত্রী। গতকাল লারা’র পডকাস্ট শো’তে এসেছিলেন ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যশ ফক্স নিউজ সেই পডকাস্ট শো সম্প্রচার করেছে।
“ইরান কখনও পরমাণু অস্ত্র তৈরি করবে না— এমন একটি গ্যারান্টি আমি চাইছিলাম। চমৎকার ব্যাপার হলো, তারা এ ব্যাপারে রাজি হয়েছে”, সাক্ষাৎকারে বলেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
তবে ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে ট্রাম্পের এমন দাবির প্রতিফলন পাওয়া যায়নি। ইরানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, দেশটির যে ১ হাজার ২০০ কোটি ডলার ওয়াশিংটন ফ্রিজ করে রেখেছে, সেই অর্থ অবমুক্ত করলে তবেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসবে তেহরান। আরও বলা হয়েছে— ইরানের ৬০ শতাংশ বিশুদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত ধ্বংস করা হবে বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প— সেটিও ভিত্তিহীন।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প ইস্যুতে দীর্ঘ প্রায় দু’যুগ ধরে টানাপোড়েন চলছে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে। ওয়াশিংটনের দাবি, শান্তিপূর্ন পরমাণু প্রকল্পের আড়ালে ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে। তবে ইরান এই দাবি সবসময় প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ফের ইরানে অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এবং টানা ৪০ দিন ধরে সংঘাতের পর ইরান যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে মার্কিন বাহিনী।
সূত্র : ফক্স নিউজ, ডন
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাক্ষাৎকারটি নিয়েছিলেন তার পুত্রবধূ লারা ট্রাম্প। লারা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের তৃতীয় সন্তান এরিক ট্রাম্পের স্ত্রী। গতকাল লারা’র পডকাস্ট শো’তে এসেছিলেন ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যশ ফক্স নিউজ সেই পডকাস্ট শো সম্প্রচার করেছে।
“ইরান কখনও পরমাণু অস্ত্র তৈরি করবে না— এমন একটি গ্যারান্টি আমি চাইছিলাম। চমৎকার ব্যাপার হলো, তারা এ ব্যাপারে রাজি হয়েছে”, সাক্ষাৎকারে বলেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
তবে ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে ট্রাম্পের এমন দাবির প্রতিফলন পাওয়া যায়নি। ইরানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, দেশটির যে ১ হাজার ২০০ কোটি ডলার ওয়াশিংটন ফ্রিজ করে রেখেছে, সেই অর্থ অবমুক্ত করলে তবেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসবে তেহরান। আরও বলা হয়েছে— ইরানের ৬০ শতাংশ বিশুদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত ধ্বংস করা হবে বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প— সেটিও ভিত্তিহীন।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প ইস্যুতে দীর্ঘ প্রায় দু’যুগ ধরে টানাপোড়েন চলছে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে। ওয়াশিংটনের দাবি, শান্তিপূর্ন পরমাণু প্রকল্পের আড়ালে ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে। তবে ইরান এই দাবি সবসময় প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ফের ইরানে অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এবং টানা ৪০ দিন ধরে সংঘাতের পর ইরান যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে মার্কিন বাহিনী।
সূত্র : ফক্স নিউজ, ডন
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
