নেত্রকোণার সদর উপজেলায় বাসচাপায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন এক মা ও তার দুই মেয়ে। এ ঘটনায় আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
রোববার (৩১ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার চল্লিশা বাইপাস এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন সদর উপজেলার রৌহা ইউনিয়নের আমলি কেশবপুর গ্রামের বাসিন্দা নূরজাহান বেগম (৪০), তার বড় মেয়ে স্মৃতি আক্তার (১৬) এবং ছোট মেয়ে ইতি আক্তার (১০)।
স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকারী বাবর মিয়া জানান, ময়মনসিংহ থেকে নেত্রকোণাগামী একটি বাস চল্লিশা বাইপাস এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে সরাসরি চাপা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
তিনি বলেন, অটোরিকশায় থাকা ছয়জন যাত্রীর মধ্যে তিনজন ঘটনাস্থলেই বা হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। বাকি তিনজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় নেত্রকোণা সদর হাসপাতাল এবং ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নেত্রকোণা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মাজহারুল আমিন বলেন, দুর্ঘটনায় আহত কয়েকজনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাদের মধ্যে দুইজনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। গুরুতর আহত একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে নেত্রকোণা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন সরকার বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। মরদেহ উদ্ধার ও প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে পুলিশ।
দুর্ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা সড়কে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
রোববার (৩১ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার চল্লিশা বাইপাস এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন সদর উপজেলার রৌহা ইউনিয়নের আমলি কেশবপুর গ্রামের বাসিন্দা নূরজাহান বেগম (৪০), তার বড় মেয়ে স্মৃতি আক্তার (১৬) এবং ছোট মেয়ে ইতি আক্তার (১০)।
স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকারী বাবর মিয়া জানান, ময়মনসিংহ থেকে নেত্রকোণাগামী একটি বাস চল্লিশা বাইপাস এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে সরাসরি চাপা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
তিনি বলেন, অটোরিকশায় থাকা ছয়জন যাত্রীর মধ্যে তিনজন ঘটনাস্থলেই বা হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। বাকি তিনজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় নেত্রকোণা সদর হাসপাতাল এবং ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নেত্রকোণা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মাজহারুল আমিন বলেন, দুর্ঘটনায় আহত কয়েকজনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাদের মধ্যে দুইজনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। গুরুতর আহত একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে নেত্রকোণা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন সরকার বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। মরদেহ উদ্ধার ও প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে পুলিশ।
দুর্ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা সড়কে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
