শিশু রামিসা হত্যা মামলায় আদালতের কাছে আসামির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রার্থনা করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, মামলায় থাকা তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামির সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত হবে বলে সরকারের প্রত্যাশা।
রোববার (৩১ মে) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ফুটবল ও আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের উদ্যোগে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আইনমন্ত্রী বলেন, “শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচারকার্যে আদালতের কাছে আসামির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করা হবে। আমাদের কাছে যে তথ্য-প্রমাণ রয়েছে, তাতে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
সংবিধান সংশোধন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দল থেকে পাঁচজন সদস্য চাওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে তারা পরে সিদ্ধান্ত জানাবে বলে অবহিত করেছে। বর্তমানে সরকার তাদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।
মাদকবিরোধী অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, “মাদকের ভয়াবহতা থেকে সমাজ ও রাষ্ট্রকে রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। মাদকের বিরুদ্ধে সমাজের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এ বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।”
সরকারের বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, সারা দেশে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে দেশের সব এলাকায় কৃষক কার্ড চালু করা হবে।
তিনি আরও জানান, মসজিদের ইমাম ও মন্দিরের পুরোহিতদের জন্য সরকারিভাবে ভাতা চালুর পরিকল্পনাও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।
অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন এবং শৈলকূপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ, শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
রোববার (৩১ মে) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ফুটবল ও আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের উদ্যোগে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আইনমন্ত্রী বলেন, “শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচারকার্যে আদালতের কাছে আসামির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করা হবে। আমাদের কাছে যে তথ্য-প্রমাণ রয়েছে, তাতে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
সংবিধান সংশোধন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দল থেকে পাঁচজন সদস্য চাওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে তারা পরে সিদ্ধান্ত জানাবে বলে অবহিত করেছে। বর্তমানে সরকার তাদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।
মাদকবিরোধী অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, “মাদকের ভয়াবহতা থেকে সমাজ ও রাষ্ট্রকে রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। মাদকের বিরুদ্ধে সমাজের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এ বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।”
সরকারের বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, সারা দেশে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে দেশের সব এলাকায় কৃষক কার্ড চালু করা হবে।
তিনি আরও জানান, মসজিদের ইমাম ও মন্দিরের পুরোহিতদের জন্য সরকারিভাবে ভাতা চালুর পরিকল্পনাও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।
অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন এবং শৈলকূপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ, শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
