রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় চলমান তদন্ত ও পরিদর্শনের মধ্যে সাংবাদিকদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (৩০ মে) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে হাসপাতালটি জানায়, নবজাতকদের মৃত্যুর ঘটনার পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, পুলিশ ও র্যাবসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থা হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে। পাশাপাশি সরকার এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে।
এর আগে গত বুধবার (২৭ মে) সকালে হাসপাতালটিতে এক থেকে তিন দিন বয়সী ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়। ঘটনাটি নিয়ে শনিবার বিকেলে হাসপাতাল পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরিদর্শন শেষে তিনি জানান, হাসপাতালের কলেজ ভবনের অষ্টম তলায় একটি বেকারি কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। সেখান থেকে নির্গত গ্যাস নবজাতকদের কোনো ক্ষতি করেছে কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনের খবর পেয়ে সন্ধ্যায় হাসপাতালে যান বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা। তবে মন্ত্রী হাসপাতাল ত্যাগ করার পর হাসপাতালের সব প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময় সাংবাদিকরা ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে তাদের বাগবিতণ্ডা হয়।
পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা উপস্থিত হন। অভিযোগ রয়েছে, তাদের উপস্থিতিতেই হাসপাতালের কিছু নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে ধাওয়া দিয়ে হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয় গণমাধ্যমকর্মীদের। এ ঘটনায় কয়েকজন সাংবাদিক আহত হন এবং একটি টেলিভিশন চ্যানেলের ক্যামেরা ভাঙচুরের অভিযোগও ওঠে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আদ-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন সংস্থার পরিদর্শন ও বিপুলসংখ্যক সাংবাদিকের উপস্থিতির কারণে হাসপাতালের কর্মীরা মানসিক চাপের মধ্যে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এতে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমও বিঘ্নিত হচ্ছিল।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনের একপর্যায়ে একজন সাংবাদিক পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ‘ঝাড়ুদার’ বলে সম্বোধন করলে তারা অপমানিত বোধ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তবে উপস্থিত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেছিলেন বলেও দাবি করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আদ-দ্বীন হাসপাতাল জানায়, তারা সবসময় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে কাজ করেছে। তারপরও ৩০ মে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে।
একই সঙ্গে কর্মীদের অনিচ্ছাকৃত আচরণে গণমাধ্যমকর্মীদের মনে কোনো কষ্টের সৃষ্টি হয়ে থাকলে বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
শনিবার (৩০ মে) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে হাসপাতালটি জানায়, নবজাতকদের মৃত্যুর ঘটনার পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, পুলিশ ও র্যাবসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থা হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে। পাশাপাশি সরকার এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে।
এর আগে গত বুধবার (২৭ মে) সকালে হাসপাতালটিতে এক থেকে তিন দিন বয়সী ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়। ঘটনাটি নিয়ে শনিবার বিকেলে হাসপাতাল পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরিদর্শন শেষে তিনি জানান, হাসপাতালের কলেজ ভবনের অষ্টম তলায় একটি বেকারি কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। সেখান থেকে নির্গত গ্যাস নবজাতকদের কোনো ক্ষতি করেছে কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনের খবর পেয়ে সন্ধ্যায় হাসপাতালে যান বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা। তবে মন্ত্রী হাসপাতাল ত্যাগ করার পর হাসপাতালের সব প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময় সাংবাদিকরা ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে তাদের বাগবিতণ্ডা হয়।
পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা উপস্থিত হন। অভিযোগ রয়েছে, তাদের উপস্থিতিতেই হাসপাতালের কিছু নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে ধাওয়া দিয়ে হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয় গণমাধ্যমকর্মীদের। এ ঘটনায় কয়েকজন সাংবাদিক আহত হন এবং একটি টেলিভিশন চ্যানেলের ক্যামেরা ভাঙচুরের অভিযোগও ওঠে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আদ-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন সংস্থার পরিদর্শন ও বিপুলসংখ্যক সাংবাদিকের উপস্থিতির কারণে হাসপাতালের কর্মীরা মানসিক চাপের মধ্যে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এতে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমও বিঘ্নিত হচ্ছিল।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনের একপর্যায়ে একজন সাংবাদিক পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ‘ঝাড়ুদার’ বলে সম্বোধন করলে তারা অপমানিত বোধ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তবে উপস্থিত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেছিলেন বলেও দাবি করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আদ-দ্বীন হাসপাতাল জানায়, তারা সবসময় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে কাজ করেছে। তারপরও ৩০ মে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে।
একই সঙ্গে কর্মীদের অনিচ্ছাকৃত আচরণে গণমাধ্যমকর্মীদের মনে কোনো কষ্টের সৃষ্টি হয়ে থাকলে বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
