ATN
শিরোনাম
  •  

জিয়াউর রহমানের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

         
জিয়াউর রহমানের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

জিয়াউর রহমানের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এসময় তার রুহের মাগফিরাত কামনায় মোনাজত করা হয়।

শনিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে তার সমাধিতে গিয়ে তিনি শ্রদ্ধা জানান। জিয়ারত শেষে মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বিজ্ঞাপন

সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি গত ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত আট দিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশেষ পোস্টার প্রকাশ, কালো ব্যাজ ধারণ করা হচ্ছে।

১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগমারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন জিয়াউর রহমান। তিনি ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন এবং পরবর্তীতে দলটি একাধিকবার রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে।

১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে এক সামরিক অভ্যুত্থানচেষ্টার ঘটনায় নিহত হন জিয়াউর রহমান। তার মৃত্যুদিবস উপলক্ষে প্রতিবছর বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তাকে স্মরণ করে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো।

শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিলুন হকসহ দল ও সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই জিয়া উদ্যান ও আশপাশের এলাকায় বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ব্যাপক সমাগম দেখা যায়। বিজয় সরণি থেকে জিয়া উদ্যান পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে অবস্থান নেন হাজারো নেতাকর্মী। তাদের হাতে ছিল দলীয় পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুন। বিভিন্ন স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, কৃষক দল ও শ্রমিক দলসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা সংগঠনের ব্যানার নিয়ে কর্মসূচিতে অংশ নেন। জিয়া উদ্যান এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি ছিল কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

মাজার জিয়ারত শেষে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে টি অ্যান্ড টি খেলার মাঠসংলগ্ন এলাকায় দুস্থ মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এছাড়া দিনের বাকি সময় ঢাকার বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত আরও কয়েকটি সামাজিক কর্মসূচিতেও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে তার।

রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট জাতীয় সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ