প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার ৭০ শতাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণে আনতে ইসলায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে (আইডিএফ) নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েরের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। সেই সঙ্গে ইঙ্গিত দিয়েছেন, অদূর ভবিষ্যতে গাজার শতভাগ এলাকা ইসরায়েলের অধীনে নিয়ে আসা হবে।
গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী হামাসকে ‘কোনঠাসা’ করতেই এ নির্দেশ দিয়েছেন উল্লেখ করে গতকাল ইসরায়েলের রাজধানী জেরুজালেমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু বলেন, “আমরা হামাসকে কোনঠাসা করার নীতি গ্রহণ করেছি। আগে গাজার ৫০ শতাংশ এলাকার নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে ছিল, এখন তা ৬০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। সামনে ৭০ শতাংশ এলাকা ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণের আসবে; আমি আইডিএফকে এই নির্দেশ দিয়েছি।”
শিগগিরই গাজার শতভাগ এলাকা ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা হবে উল্লেখ করে নেতানিয়াহু বলেন, “আমরা ধাপে ধাপে এগোচ্ছি। আমরা গাজার প্রতিটি দিক থেকে তাদের (হামাস) চাপে রাখব, এখনও যারা অবশিষ্ট আছে, তাদের প্রত্যেকের সঙ্গে আমরা মোকাবিলা করতে প্রস্তুত।”
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের অভ্যন্তরে হামাসের অতর্কিত হামলার পরের দিন ৮ অক্টোবর থেকে গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে আইডিএফ। ইসরায়েলি বাহিনীর ২ বছরের অভিযানে গাজায় নিহত হয়েছেন ৭০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি, আহত হয়েছেন আরও কয়েক লাখ এবং পুরো গাজা উপত্যকা পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে। পাশাপাশি গাজার ৫০ শতাংশ এলাকা দখল করেছিল আইডিএফ।
তারপর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশনায় ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিল, সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল যে গাজায় ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণ আর বাড়ানো হবে না।
তবে চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর সেটির বিভিন্ন শর্ত প্রায় সময়েই লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েল। যেমন— ২০২৫ সালের অক্টোবরের পর গাজায় আগের তুলনায় অনিয়মিত হরেও বোমা বর্ষণ অব্যাহত রেখেছে আইডিএফ। ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় নিহত হয়েছেন ৭৩৮ জন ফিলিস্তিনি।
উল্লেখ্য, অক্টোবর চুক্তিতে ২০টি শর্তের উল্লেখ ছিল। এসবের মধ্যে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের শর্ত ছিল এবং এই নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সরকারি প্রতিনিধিদের সঙ্গে হামাসের আলোচনাও শুরু হয়েছিল; কিন্তু আইডিএফ গাজায় অভিযান বন্ধ না করায় বর্তমানে থেমে আছে সেই আলোচনা।
তবে হামাস অস্ত্র জমা দিক আর না দিক— ফের কখনও গাজার শাসন ক্ষমতায় গোষ্ঠীটি আসতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ।
বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় কাৎজ বলেছেন, “হামাস আর কোনোদিন সামরিক কিংবা বেসামরিক— কোনো উপায়েই গাজায় ক্ষমতায় আসতে পারবেন না। এটা আমাদের প্রতিশ্রুতি।”
সূত্র : বিবিসি
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী হামাসকে ‘কোনঠাসা’ করতেই এ নির্দেশ দিয়েছেন উল্লেখ করে গতকাল ইসরায়েলের রাজধানী জেরুজালেমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু বলেন, “আমরা হামাসকে কোনঠাসা করার নীতি গ্রহণ করেছি। আগে গাজার ৫০ শতাংশ এলাকার নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে ছিল, এখন তা ৬০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। সামনে ৭০ শতাংশ এলাকা ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণের আসবে; আমি আইডিএফকে এই নির্দেশ দিয়েছি।”
শিগগিরই গাজার শতভাগ এলাকা ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা হবে উল্লেখ করে নেতানিয়াহু বলেন, “আমরা ধাপে ধাপে এগোচ্ছি। আমরা গাজার প্রতিটি দিক থেকে তাদের (হামাস) চাপে রাখব, এখনও যারা অবশিষ্ট আছে, তাদের প্রত্যেকের সঙ্গে আমরা মোকাবিলা করতে প্রস্তুত।”
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের অভ্যন্তরে হামাসের অতর্কিত হামলার পরের দিন ৮ অক্টোবর থেকে গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে আইডিএফ। ইসরায়েলি বাহিনীর ২ বছরের অভিযানে গাজায় নিহত হয়েছেন ৭০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি, আহত হয়েছেন আরও কয়েক লাখ এবং পুরো গাজা উপত্যকা পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে। পাশাপাশি গাজার ৫০ শতাংশ এলাকা দখল করেছিল আইডিএফ।
তারপর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশনায় ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিল, সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল যে গাজায় ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণ আর বাড়ানো হবে না।
তবে চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর সেটির বিভিন্ন শর্ত প্রায় সময়েই লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েল। যেমন— ২০২৫ সালের অক্টোবরের পর গাজায় আগের তুলনায় অনিয়মিত হরেও বোমা বর্ষণ অব্যাহত রেখেছে আইডিএফ। ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় নিহত হয়েছেন ৭৩৮ জন ফিলিস্তিনি।
উল্লেখ্য, অক্টোবর চুক্তিতে ২০টি শর্তের উল্লেখ ছিল। এসবের মধ্যে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের শর্ত ছিল এবং এই নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সরকারি প্রতিনিধিদের সঙ্গে হামাসের আলোচনাও শুরু হয়েছিল; কিন্তু আইডিএফ গাজায় অভিযান বন্ধ না করায় বর্তমানে থেমে আছে সেই আলোচনা।
তবে হামাস অস্ত্র জমা দিক আর না দিক— ফের কখনও গাজার শাসন ক্ষমতায় গোষ্ঠীটি আসতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ।
বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় কাৎজ বলেছেন, “হামাস আর কোনোদিন সামরিক কিংবা বেসামরিক— কোনো উপায়েই গাজায় ক্ষমতায় আসতে পারবেন না। এটা আমাদের প্রতিশ্রুতি।”
সূত্র : বিবিসি
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
