কোরবানির পশুর লাথি-গুঁতায় পঙ্গু হাসপাতালে ৩৩ জন, ১৫ ঘণ্টায় আহত ১৬৮
পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দের দিনে রাজধানীতে কোরবানি দিতে গিয়ে অসাবধানতা ও পশুর আকস্মিক আক্রমণে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন বহু মানুষ। কোরবানির পশু নিয়ন্ত্রণ ও জবাই করতে গিয়ে গরুর লাথি, গুঁতা ও দড়ির টানে হাত-পা ভাঙা, আঙুল কাটা এবং রগ ছিঁড়ে যাওয়ার মতো মারাত্মক আঘাত নিয়ে বৃহস্পতিবার (আজ) সকাল থেকে রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন অন্তত ৩৩ জন।
গত ১৫ ঘণ্টায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনাসহ বিভিন্ন কারণে আহত হয়ে হাসপাতালটিতে এসেছেন আরও ১৬৮ জন, যাদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় ৮৯ জনকে ভর্তি করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর) ঘুরে আহত হয়ে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের এমন ভিড় দেখা গেছে।
হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, সকালে ঈদের নামাজ শেষে কোরবানি শুরুর পর থেকেই হাত-পা ভাঙা ও কাটা-ছেঁড়ার মতো বিভিন্ন ক্ষত নিয়ে রোগীরা পঙ্গু হাসপাতালে আসতে শুরু করেন। গত ১৫ ঘণ্টায় কোরবানিজনিত কারণ ও মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়ে চিকিৎসা নেওয়া ১৬৮ জনের মধ্যে কিছুটা গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত ৮৯ জনকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ভর্তি করেছে।
নিটোর-এর অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাক্তার জীবনানন্দ হালদার জানান, গতকাল রাত ১২টা থেকে আজ দুপুর ৩টা পর্যন্ত হাসপাতালে মোট ১৬৮ জন রোগী এসেছেন। আর আজ সকাল থেকে কোরবানিজনিত কারণে আহত হয়ে চিকিৎসা নিতে এসেছেন ৩৩ জন। এই মোট রোগীর মধ্যে ভর্তি হয়েছেন ৮৯ জন।
পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘আজ গুরুতর আহত রোগী কম এসেছে। কোরবানি দিতে গিয়ে আঙুল কাটা, রগ কাটা, হাত কাটা, পা কাটা, কোমরে কাটা– এই ধরনের রোগী আসছে। কোরবানি দিতে গিয়ে যে সমস্যাগুলো হয়, সেই ধরনের রোগীই বেশি এসেছে। মেজর অ্যাক্সিডেন্টের রোগী গতকাল বেশি ছিল। আবার গতকাল দুজন এক্সপেয়ার করেছেন (নিহত হয়েছেন)। গতকাল যে পেশেন্ট এসেছে এর মধ্যে কোরবানি জনিত পেশেন্ট ছিল কিছু আর বেশি ছিল মোটরসাইকেল অ্যাক্সিডেন্ট পেশেন্ট।’
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
গত ১৫ ঘণ্টায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনাসহ বিভিন্ন কারণে আহত হয়ে হাসপাতালটিতে এসেছেন আরও ১৬৮ জন, যাদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় ৮৯ জনকে ভর্তি করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর) ঘুরে আহত হয়ে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের এমন ভিড় দেখা গেছে।
হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, সকালে ঈদের নামাজ শেষে কোরবানি শুরুর পর থেকেই হাত-পা ভাঙা ও কাটা-ছেঁড়ার মতো বিভিন্ন ক্ষত নিয়ে রোগীরা পঙ্গু হাসপাতালে আসতে শুরু করেন। গত ১৫ ঘণ্টায় কোরবানিজনিত কারণ ও মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়ে চিকিৎসা নেওয়া ১৬৮ জনের মধ্যে কিছুটা গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত ৮৯ জনকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ভর্তি করেছে।
নিটোর-এর অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাক্তার জীবনানন্দ হালদার জানান, গতকাল রাত ১২টা থেকে আজ দুপুর ৩টা পর্যন্ত হাসপাতালে মোট ১৬৮ জন রোগী এসেছেন। আর আজ সকাল থেকে কোরবানিজনিত কারণে আহত হয়ে চিকিৎসা নিতে এসেছেন ৩৩ জন। এই মোট রোগীর মধ্যে ভর্তি হয়েছেন ৮৯ জন।
পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘আজ গুরুতর আহত রোগী কম এসেছে। কোরবানি দিতে গিয়ে আঙুল কাটা, রগ কাটা, হাত কাটা, পা কাটা, কোমরে কাটা– এই ধরনের রোগী আসছে। কোরবানি দিতে গিয়ে যে সমস্যাগুলো হয়, সেই ধরনের রোগীই বেশি এসেছে। মেজর অ্যাক্সিডেন্টের রোগী গতকাল বেশি ছিল। আবার গতকাল দুজন এক্সপেয়ার করেছেন (নিহত হয়েছেন)। গতকাল যে পেশেন্ট এসেছে এর মধ্যে কোরবানি জনিত পেশেন্ট ছিল কিছু আর বেশি ছিল মোটরসাইকেল অ্যাক্সিডেন্ট পেশেন্ট।’
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
