কলকাতার প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা অনীক দত্ত মারা গেছেন। আজ বুধবার দুপুরে বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে অত্যন্ত সঙ্কটজনক অবস্থায় তাকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় পুলিশের দল।
এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অনীকের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি ‘সুইসাইড নোট’ এবং একটি চটি। পশ্চিমবঙ্গের সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
কী লেখা ছিল সেই নোটে? পুলিশ বলছে, মৃত্যুর আগের পরিচালক একটি ‘নোট’ লিখে গিয়েছিলেন। যেখানে লেখা ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়’।
শোনা যাচ্ছে, প্রাক্তন স্ত্রী সন্ধি দত্তের বাড়িতেই ঘটেছে এই ঘটনা। হিন্দুস্তান পার্ক এলাকায় স্ত্রীর বাড়িতেই নাকি বুধবার সকালে গিয়েছিলেন তিনি। তবে পরিচালক নিজে থাকতেন ডোভার লেনের বাড়িতে।
দুর্ঘটনার পরেই তড়িঘড়ি তাকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে জরুরি বিভাগে ভর্তি করানো হয় অনীককে। কিছুক্ষণ পরে হাসপাতালের তরফে পরিচালককে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য প্রয়াত পরিচালকের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে এসএসকেএম হাসপাতালে।
খবর পেয়ে হাসপাতালে হাজির হন শহরের বিশিষ্টজনেরা। সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম থেকে শুরু করে বিজেপি বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ-সহ অনেককেই দেখা যায় হাসপাতালে। প্রযোজক ফিরদৌসল হাসান বলেছেন, ‘বিস্তারিত কিছু বলতে পারব না। অনীকের মেয়ের জন্য আমরা অপেক্ষা করছি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী এসএসকেএমে নিয়ে যাওয়া হবে ময়নাতদন্তের জন্য।’
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সময় অতিক্রম হয়ে যাওয়ায় বুধবার হবে না ময়নাতদন্ত। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা। ইতিমধ্যে তদন্তের জন্য পরিচালকের হিন্দুস্তান পার্ক এলাকার বাড়িতে পৌঁছেছে পুলিশের দল এবং ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞেরা।
২০১২ সালে ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’ ছবির মাধ্যমে রাতারাতি খ্যাতির শীর্ষে উঠে আসেন অনীক দত্ত। ভৌতিক কাহিনির আড়ালে রাজনৈতিক ও সামাজিক যে শ্লেষ উঠে এসেছিল সেই ছবিতে, তা বাংলা ছবিতে ‘মাইলস্টোন’ বলে রসিকজনেরা মনে করেন। একই ধাঁচে তার পরের ছবি ‘আশ্চর্য প্রদীপ’-এও একই বার্তা দিয়েছিলেন পরিচালক অনীক।
অনীক দত্ত জন্মগ্রহণ করেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায়। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। চলচ্চিত্রে আসার আগে দীর্ঘ সময় বিজ্ঞাপনী সংস্থায় কপিরাইটার হিসেবে কাজ করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা তার সিনেমার ভাষায়ও প্রভাব ফেলেছে। সংলাপ, দৃশ্য নির্মাণ ও ব্যঙ্গাত্মক উপস্থাপনায় বিজ্ঞাপনী জগতের ছাপ স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অনীকের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি ‘সুইসাইড নোট’ এবং একটি চটি। পশ্চিমবঙ্গের সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
কী লেখা ছিল সেই নোটে? পুলিশ বলছে, মৃত্যুর আগের পরিচালক একটি ‘নোট’ লিখে গিয়েছিলেন। যেখানে লেখা ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়’।
শোনা যাচ্ছে, প্রাক্তন স্ত্রী সন্ধি দত্তের বাড়িতেই ঘটেছে এই ঘটনা। হিন্দুস্তান পার্ক এলাকায় স্ত্রীর বাড়িতেই নাকি বুধবার সকালে গিয়েছিলেন তিনি। তবে পরিচালক নিজে থাকতেন ডোভার লেনের বাড়িতে।
দুর্ঘটনার পরেই তড়িঘড়ি তাকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে জরুরি বিভাগে ভর্তি করানো হয় অনীককে। কিছুক্ষণ পরে হাসপাতালের তরফে পরিচালককে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য প্রয়াত পরিচালকের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে এসএসকেএম হাসপাতালে।
খবর পেয়ে হাসপাতালে হাজির হন শহরের বিশিষ্টজনেরা। সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম থেকে শুরু করে বিজেপি বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ-সহ অনেককেই দেখা যায় হাসপাতালে। প্রযোজক ফিরদৌসল হাসান বলেছেন, ‘বিস্তারিত কিছু বলতে পারব না। অনীকের মেয়ের জন্য আমরা অপেক্ষা করছি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী এসএসকেএমে নিয়ে যাওয়া হবে ময়নাতদন্তের জন্য।’
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সময় অতিক্রম হয়ে যাওয়ায় বুধবার হবে না ময়নাতদন্ত। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা। ইতিমধ্যে তদন্তের জন্য পরিচালকের হিন্দুস্তান পার্ক এলাকার বাড়িতে পৌঁছেছে পুলিশের দল এবং ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞেরা।
২০১২ সালে ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’ ছবির মাধ্যমে রাতারাতি খ্যাতির শীর্ষে উঠে আসেন অনীক দত্ত। ভৌতিক কাহিনির আড়ালে রাজনৈতিক ও সামাজিক যে শ্লেষ উঠে এসেছিল সেই ছবিতে, তা বাংলা ছবিতে ‘মাইলস্টোন’ বলে রসিকজনেরা মনে করেন। একই ধাঁচে তার পরের ছবি ‘আশ্চর্য প্রদীপ’-এও একই বার্তা দিয়েছিলেন পরিচালক অনীক।
অনীক দত্ত জন্মগ্রহণ করেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায়। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। চলচ্চিত্রে আসার আগে দীর্ঘ সময় বিজ্ঞাপনী সংস্থায় কপিরাইটার হিসেবে কাজ করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা তার সিনেমার ভাষায়ও প্রভাব ফেলেছে। সংলাপ, দৃশ্য নির্মাণ ও ব্যঙ্গাত্মক উপস্থাপনায় বিজ্ঞাপনী জগতের ছাপ স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
