বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) যাচাইয়ে জাল সনদের প্রমাণ পাওয়ায় দেশের ১৪১ জন মাদ্রাসাশিক্ষকের এমপিও সুবিধা বাতিল করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসায় কর্মরত ৬০ জন শিক্ষক রয়েছেন।
গতকাল সোমবার কাপাসিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফ তালুকদার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কাছে সরকারি চিঠি পাঠানো হয়েছে, তবে পুরো তথ্য এখনো যাচাই করা হয়নি।
২৩ মে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা চিঠিতে বলা হয়, এনটিআরসিএর যাচাইয়ে সনদ জাল প্রমাণিত হওয়ায় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী তাঁদের এমপিও সুবিধা বাতিল করা হয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, এসব শিক্ষকের এমপিও স্থায়ীভাবে বন্ধ করা, সরকারি অর্থ ফেরত আদায় এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আল মামুন তালুকদার বলেন, কাপাসিয়ায় অতীতেও জাল সনদের কারণে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এবারও একই ধরনের অভিযোগে বড় সংখ্যক শিক্ষক জড়িত থাকায় বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। ঈদের পর অফিস খোলার পর বিস্তারিত তদন্ত করা হবে বলেও তিনি জানান।
স্থানীয় পর্যায়ে একসঙ্গে এত সংখ্যক শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল সনদের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
গতকাল সোমবার কাপাসিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফ তালুকদার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কাছে সরকারি চিঠি পাঠানো হয়েছে, তবে পুরো তথ্য এখনো যাচাই করা হয়নি।
২৩ মে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা চিঠিতে বলা হয়, এনটিআরসিএর যাচাইয়ে সনদ জাল প্রমাণিত হওয়ায় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী তাঁদের এমপিও সুবিধা বাতিল করা হয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, এসব শিক্ষকের এমপিও স্থায়ীভাবে বন্ধ করা, সরকারি অর্থ ফেরত আদায় এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আল মামুন তালুকদার বলেন, কাপাসিয়ায় অতীতেও জাল সনদের কারণে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এবারও একই ধরনের অভিযোগে বড় সংখ্যক শিক্ষক জড়িত থাকায় বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। ঈদের পর অফিস খোলার পর বিস্তারিত তদন্ত করা হবে বলেও তিনি জানান।
স্থানীয় পর্যায়ে একসঙ্গে এত সংখ্যক শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল সনদের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
