ATN
শিরোনাম
  •  

রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে পর্যাপ্ত গরু থাকলেও ক্রেতা কম

         
রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে পর্যাপ্ত গরু থাকলেও ক্রেতা কম

রাজধানীর পশুর হাট। ফাইল ছবি

রাজধানীর বিভিন্ন পশুর হাটে কোরবানির পশুর পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও এখনো ক্রেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কম। ফলে হাটগুলো পুরোপুরি জমে ওঠেনি বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

হাটে পর্যাপ্ত গরু থাকলেও দাম নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা যাচ্ছে। বিক্রেতারা তুলনামূলক বেশি দাম হাঁকছেন বলে অভিযোগ করছেন ক্রেতারা। অনেকে বাজার যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।

হাটগুলোতে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। বিশেষ করে ৪ থেকে ৬ মণ গোশত পাওয়া যায় এমন গরুর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি। এসব গরুর ক্ষেত্রে গরুর মাংসের বাজারদর গড়ে প্রতি মণ প্রায় ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত পড়ছে বলে জানা গেছে।

বিক্রেতারা জানান, তিন মণ গোশত পাওয়া যায় এমন গরুর দাম প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার থেকে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে। চার মণ গোশত মিলবে এমন গরুর দাম ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত উঠছে।

গাবতলীর হাটে আসা ক্রেতারা জানান, নির্ধারিত বাজেট নিয়ে এসে তারা গরুর দাম যাচাই করছেন। তবে অনেক ক্ষেত্রে দাম বেশি হওয়ায় কেনাকাটা বিলম্বিত হচ্ছে।

অন্যদিকে মানিকগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ব্যাপারীরা জানান, হাটে ক্রেতা তুলনামূলকভাবে কম। দীর্ঘ সময় গরু পরিচর্যার পর হাটে আনা হলেও বিক্রি আশানুরূপ হচ্ছে না।

তবে তারা আশা করছেন, ঈদ ঘনিয়ে এলে আগামী এক–দুই দিনের মধ্যে বেচাকেনা আরও বাড়বে এবং হাটগুলো পুরোপুরি জমে উঠবে।

রাজধানীর গাবতলী, পোস্তগোলা, শাজাহানপুর, ধোলাইখাল, কমলাপুর ও মাতুয়াইলসহ বিভিন্ন হাটে প্রতিদিনই পশু আসছে। ক্রেতারা গরু দেখছেন, দরদাম করছেন এবং কিছু ক্ষেত্রে কেনাকাটাও হচ্ছে, তবে তা এখনো প্রত্যাশার তুলনায় কম।

বিক্রেতারা বলছেন, সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাটের বেচাকেনা আরও সক্রিয় হবে বলে তারা আশাবাদী।

রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস

পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ