পবিত্র আরাফাতের ময়দানে বিশ্ব মুসলিমের হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু
আজ মঙ্গলবার পবিত্র হজের দিন। ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক…’ ধ্বনি-প্রতিধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে সৌদি আরবের পবিত্র আরাফাতের ময়দান।
বিশ্ব মুসলিমের মহাসম্মিলন হজের মূল অংশ হিসেবে আজ ভোর থেকেই আরাফাতে অবস্থান করছেন লাখো হজযাত্রী। পাপমুক্তি ও আত্মশুদ্ধির আকাঙ্ক্ষায় তারা আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন রয়েছেন।
এ বছর ফজরের পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত প্রায় ২০ লাখেরও বেশি মুসলমান আরাফাতের ময়দানে উপস্থিত হয়েছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশি হজযাত্রীর সংখ্যা ৭৮ হাজারের বেশি।
হজের অন্যতম প্রধান আনুষ্ঠানিকতা ৯ জিলহজের এই দিনে হাজিরা সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতে অবস্থান করবেন। এরপর তারা মুজদালিফার উদ্দেশে রওনা হবেন এবং সেখানে মাগরিব ও এশার নামাজ একত্রে আদায় করবেন।
মুজদালিফায় রাত যাপন শেষে তারা ৭০টি কংকর সংগ্রহ করবেন, যা পরবর্তী দিন মিনায় জামারাতে শয়তানকে প্রতীকী পাথর নিক্ষেপে ব্যবহার করা হবে।
এরপর ১০ জিলহজ মিনায় গিয়ে ধারাবাহিকভাবে শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ, পশু কোরবানি, মাথা ন্যাড়া করা এবং তাওয়াফে জিয়ারত সম্পন্ন করবেন হাজিরা।
ইসলামী ইতিহাস অনুযায়ী, হজরত ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর নির্দেশে প্রিয় পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানি করতে প্রস্তুত হলে শয়তান তাকে বাধা দিতে আসে। সেই সময় শয়তানকে প্রতীকীভাবে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা থেকেই এই রীতির উৎপত্তি।
এছাড়া ১১ জিলহজ মিনায় অবস্থান করে হাজিরা তিনটি জামারাতে পুনরায় পাথর নিক্ষেপ করবেন।
হজের শেষ ধাপে কাবা শরিফে বিদায়ি তাওয়াফের মাধ্যমে পূর্ণ হবে পবিত্র এই ইবাদত।
এদিকে হজ উপলক্ষে মক্কা, মদিনা, মিনা, আরাফাত ও মুজদালিফা এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মোতায়েন রয়েছে এক লাখের বেশি নিরাপত্তাকর্মী।
প্রচণ্ড গরম ও তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যেও নির্বিঘ্ন হজ ব্যবস্থাপনায় কাজ করছে ৪০টিরও বেশি সরকারি সংস্থা এবং প্রায় আড়াই লাখ কর্মকর্তা। এবার প্রযুক্তির সহায়তায় ড্রোন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও ব্যবহার করা হচ্ছে হজ ব্যবস্থাপনায়।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
বিশ্ব মুসলিমের মহাসম্মিলন হজের মূল অংশ হিসেবে আজ ভোর থেকেই আরাফাতে অবস্থান করছেন লাখো হজযাত্রী। পাপমুক্তি ও আত্মশুদ্ধির আকাঙ্ক্ষায় তারা আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন রয়েছেন।
এ বছর ফজরের পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত প্রায় ২০ লাখেরও বেশি মুসলমান আরাফাতের ময়দানে উপস্থিত হয়েছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশি হজযাত্রীর সংখ্যা ৭৮ হাজারের বেশি।
হজের অন্যতম প্রধান আনুষ্ঠানিকতা ৯ জিলহজের এই দিনে হাজিরা সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতে অবস্থান করবেন। এরপর তারা মুজদালিফার উদ্দেশে রওনা হবেন এবং সেখানে মাগরিব ও এশার নামাজ একত্রে আদায় করবেন।
মুজদালিফায় রাত যাপন শেষে তারা ৭০টি কংকর সংগ্রহ করবেন, যা পরবর্তী দিন মিনায় জামারাতে শয়তানকে প্রতীকী পাথর নিক্ষেপে ব্যবহার করা হবে।
এরপর ১০ জিলহজ মিনায় গিয়ে ধারাবাহিকভাবে শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ, পশু কোরবানি, মাথা ন্যাড়া করা এবং তাওয়াফে জিয়ারত সম্পন্ন করবেন হাজিরা।
ইসলামী ইতিহাস অনুযায়ী, হজরত ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর নির্দেশে প্রিয় পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানি করতে প্রস্তুত হলে শয়তান তাকে বাধা দিতে আসে। সেই সময় শয়তানকে প্রতীকীভাবে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা থেকেই এই রীতির উৎপত্তি।
এছাড়া ১১ জিলহজ মিনায় অবস্থান করে হাজিরা তিনটি জামারাতে পুনরায় পাথর নিক্ষেপ করবেন।
হজের শেষ ধাপে কাবা শরিফে বিদায়ি তাওয়াফের মাধ্যমে পূর্ণ হবে পবিত্র এই ইবাদত।
এদিকে হজ উপলক্ষে মক্কা, মদিনা, মিনা, আরাফাত ও মুজদালিফা এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মোতায়েন রয়েছে এক লাখের বেশি নিরাপত্তাকর্মী।
প্রচণ্ড গরম ও তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যেও নির্বিঘ্ন হজ ব্যবস্থাপনায় কাজ করছে ৪০টিরও বেশি সরকারি সংস্থা এবং প্রায় আড়াই লাখ কর্মকর্তা। এবার প্রযুক্তির সহায়তায় ড্রোন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও ব্যবহার করা হচ্ছে হজ ব্যবস্থাপনায়।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
