মুসলমানদের সবচেয়ে বড় উৎসব ঈদুল আজহার বাকি আর তিনদিন। প্রিয়জনদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে নাড়ির টানে খোলা ট্রাক-পিকআপে ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরছে ঘরমুখো মানুষ। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। যানবাহনের চাপ থাকলেও এখনও কোথাও যানজট সৃষ্টি হয়নি।
আজ সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল যমুনাসেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশের এলেঙ্গা, রাবনা বাইপাস, নগর জলফৈ ও করটিয়া বাইপাস ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
এছাড়াও অনেকেই খোলা ট্রাক-পিকআপে করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরছে। নারী-পুরুষ, শিশু-বৃদ্ধসহ সকল বয়সী মানুষ এই রাত করে ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি যাচ্ছে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শরীফ বলেন, দুপুরের পর থেকে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়ে গেছে। যানবাহনের চাপ থাকলেও এখন পর্যন্ত যানজট সৃষ্টি হয়নি। স্বাভাবিক গতিতেই যানবাহন চলাচল করছে। আশা করছি, মানুষ নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে পারবে। যানজট যাতে না হয় সেইজন্য আমরা মহাসড়কে রাত-দিন কাজ করে যাচ্ছি।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল যমুনাসেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশের এলেঙ্গা, রাবনা বাইপাস, নগর জলফৈ ও করটিয়া বাইপাস ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
এছাড়াও অনেকেই খোলা ট্রাক-পিকআপে করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরছে। নারী-পুরুষ, শিশু-বৃদ্ধসহ সকল বয়সী মানুষ এই রাত করে ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি যাচ্ছে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শরীফ বলেন, দুপুরের পর থেকে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়ে গেছে। যানবাহনের চাপ থাকলেও এখন পর্যন্ত যানজট সৃষ্টি হয়নি। স্বাভাবিক গতিতেই যানবাহন চলাচল করছে। আশা করছি, মানুষ নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে পারবে। যানজট যাতে না হয় সেইজন্য আমরা মহাসড়কে রাত-দিন কাজ করে যাচ্ছি।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
