টাঙ্গাইলে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৯ জনের বাড়ি নওগাঁর মান্দা উপজেলায়।
সোমবার (২৫ মে) ভোররাতে যমুনা সেতু সংযোগ মহাসড়কে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মান্দা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম।
নিহতরা হলেন- রাজেন্দ্রবাটি গ্রামের সুলতানের ছেলে তারেক (২১), আব্দুর রশিদের ছেলে আব্দুল বারেক (২৪), আব্দুর রহিমের ছেলে বাদশাহ (২৮), একাব্বরের ছেলে সোহাগ (২১), শহিদুলের ছেলে রবিউল ইসলাম (২৬), জাদর আলীর ছেলে মাইনুল (৩০), আব্দুর রশিদের দুই ছেলে ময়নুল ও গিয়াস ও একই গ্রামের সাগর (২৬)। এছাড়া নিয়ামতপুর উপজেলার মালঞ্চি গ্রমের সাইদুলের ছেলে সারিকুল।
নিহতদের পরিবার এবং থানা পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা জায়, নিহতরা নোয়াখালীতে ফেরি করে মালামাল বিক্রি করতেন। পরিবারের সঙ্গে ঈদের আমেজ ভাগাভাগি করে নিতে নোয়াখালী থেকে ফেনীতে এসে একটি রোডবোঝাই ট্রাকে ওঠেন। ট্রাকটি টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে উল্টে গেলে ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে তারা নিহত হন।
রাজেন্দ্রবাটি গ্রামের সোলাইমান আলী বলেন, আমরা সবাই নোয়াখালীতে একই সঙ্গে ছিলাম। আমরা এক সঙ্গেই ব্যবসা করতাম। তারা আমাদের আগের গাড়িতে উঠছিল। আমিসহ আরও কয়েকজন পরের গাড়িতে ছিলাম। টাঙ্গাইল পার হওয়ার পর দেখি একটি গাড়ি উল্টে পড়ে আছে। যুমনা সেতু পার হওয়ার পরে জানতে পারি তারা মারা গেছে।
একই গ্রামের আরেক বাসিন্দা নাসিরউদ্দিন বলেন, এরা সবাই মৎসজীবী ছিল। বিলের পানি যখন শুকিয়ে যায় তখন পেটের দায়ে বিভিন্ন প্লাস্টিক জাতীয় মালামাল বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। এরা সবাই হতদরিদ্র। আমাদের গ্রামে একসঙ্গে এতো মৃত্যু কখনো দেখেনি কেউ। শুধু আমাদের গ্রাম না আশপাশের এলাকাতেও এ ধরনের ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি। পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানাই এই পরিবারগুলোকে যেনো আর্থিকভাবে সহযোগিতা করা হয়।
মান্দা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম বলেন, নিহত ৯ জনের বাড়ি মান্দায় বলে শনাক্ত করা গেছে। আমাদের ধারণা নিহতদের মধ্যে আরও অনেকেই মান্দার থাকতে পারে। তারা একসঙ্গে নোয়াখালীতে ব্যবসা করতেন। বাকিদের পরিচয় শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।
এদিকে নিহতদের বাড়ি পরিদর্শন করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় বান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আখতার জাহান সাথী জানান, নিহত পরিবারদের মাঝে সরকারিভাবে আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া হবে। লাশগুলো গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা এবং দাফনসহ সব কার্যক্রম সরকারি অর্থায়ন করা হবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
সোমবার (২৫ মে) ভোররাতে যমুনা সেতু সংযোগ মহাসড়কে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মান্দা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম।
নিহতরা হলেন- রাজেন্দ্রবাটি গ্রামের সুলতানের ছেলে তারেক (২১), আব্দুর রশিদের ছেলে আব্দুল বারেক (২৪), আব্দুর রহিমের ছেলে বাদশাহ (২৮), একাব্বরের ছেলে সোহাগ (২১), শহিদুলের ছেলে রবিউল ইসলাম (২৬), জাদর আলীর ছেলে মাইনুল (৩০), আব্দুর রশিদের দুই ছেলে ময়নুল ও গিয়াস ও একই গ্রামের সাগর (২৬)। এছাড়া নিয়ামতপুর উপজেলার মালঞ্চি গ্রমের সাইদুলের ছেলে সারিকুল।
নিহতদের পরিবার এবং থানা পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা জায়, নিহতরা নোয়াখালীতে ফেরি করে মালামাল বিক্রি করতেন। পরিবারের সঙ্গে ঈদের আমেজ ভাগাভাগি করে নিতে নোয়াখালী থেকে ফেনীতে এসে একটি রোডবোঝাই ট্রাকে ওঠেন। ট্রাকটি টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে উল্টে গেলে ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে তারা নিহত হন।
রাজেন্দ্রবাটি গ্রামের সোলাইমান আলী বলেন, আমরা সবাই নোয়াখালীতে একই সঙ্গে ছিলাম। আমরা এক সঙ্গেই ব্যবসা করতাম। তারা আমাদের আগের গাড়িতে উঠছিল। আমিসহ আরও কয়েকজন পরের গাড়িতে ছিলাম। টাঙ্গাইল পার হওয়ার পর দেখি একটি গাড়ি উল্টে পড়ে আছে। যুমনা সেতু পার হওয়ার পরে জানতে পারি তারা মারা গেছে।
একই গ্রামের আরেক বাসিন্দা নাসিরউদ্দিন বলেন, এরা সবাই মৎসজীবী ছিল। বিলের পানি যখন শুকিয়ে যায় তখন পেটের দায়ে বিভিন্ন প্লাস্টিক জাতীয় মালামাল বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। এরা সবাই হতদরিদ্র। আমাদের গ্রামে একসঙ্গে এতো মৃত্যু কখনো দেখেনি কেউ। শুধু আমাদের গ্রাম না আশপাশের এলাকাতেও এ ধরনের ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি। পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানাই এই পরিবারগুলোকে যেনো আর্থিকভাবে সহযোগিতা করা হয়।
মান্দা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম বলেন, নিহত ৯ জনের বাড়ি মান্দায় বলে শনাক্ত করা গেছে। আমাদের ধারণা নিহতদের মধ্যে আরও অনেকেই মান্দার থাকতে পারে। তারা একসঙ্গে নোয়াখালীতে ব্যবসা করতেন। বাকিদের পরিচয় শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।
এদিকে নিহতদের বাড়ি পরিদর্শন করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় বান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আখতার জাহান সাথী জানান, নিহত পরিবারদের মাঝে সরকারিভাবে আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া হবে। লাশগুলো গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা এবং দাফনসহ সব কার্যক্রম সরকারি অর্থায়ন করা হবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
