উত্তর চীনের শানসি প্রদেশে একটি কয়লা খনিতে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ৮২ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
শনিবার (২৩ মে) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভি জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত অন্তত ৯ জন শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন। খনির ভেতরে আরও কতজন আটকা পড়ে আছেন, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, শানসি প্রদেশের চাংঝি শহরে অবস্থিত লিউশেনইউ কয়লা খনির ভেতরে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের মাত্রা স্বাভাবিক সীমার চেয়ে অনেক বেড়ে গিয়েছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এ থেকেই বিস্ফোরণের সূত্রপাত।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিস্ফোরণের সময় খনির ভূগর্ভে ২৪৭ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত অন্তত ২০১ জন শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমাতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও কয়লাই এখনো চীনের প্রধান জ্বালানি উৎস। দেশটির মোট জ্বালানি চাহিদার অর্ধেকের বেশি পূরণ হয় কয়লার মাধ্যমে।
দুর্ঘটনাস্থল শানসি প্রদেশ চীনের অন্যতম প্রধান কয়লা উৎপাদন অঞ্চল। তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে এ অঞ্চলের খনি শিল্প দীর্ঘদিন ধরেই সমালোচিত। অতীতেও সেখানে নিরাপত্তা ঘাটতির কারণে বহু প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটেছে।
এই মর্মান্তিক ঘটনার পর চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং নিখোঁজদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন। সিনহুয়া জানিয়েছে, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
এদিকে বিস্ফোরণের কারণ অনুসন্ধান ও খনি কর্তৃপক্ষের কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্তে ইতোমধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
শনিবার (২৩ মে) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভি জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত অন্তত ৯ জন শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন। খনির ভেতরে আরও কতজন আটকা পড়ে আছেন, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, শানসি প্রদেশের চাংঝি শহরে অবস্থিত লিউশেনইউ কয়লা খনির ভেতরে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের মাত্রা স্বাভাবিক সীমার চেয়ে অনেক বেড়ে গিয়েছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এ থেকেই বিস্ফোরণের সূত্রপাত।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিস্ফোরণের সময় খনির ভূগর্ভে ২৪৭ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত অন্তত ২০১ জন শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমাতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও কয়লাই এখনো চীনের প্রধান জ্বালানি উৎস। দেশটির মোট জ্বালানি চাহিদার অর্ধেকের বেশি পূরণ হয় কয়লার মাধ্যমে।
দুর্ঘটনাস্থল শানসি প্রদেশ চীনের অন্যতম প্রধান কয়লা উৎপাদন অঞ্চল। তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে এ অঞ্চলের খনি শিল্প দীর্ঘদিন ধরেই সমালোচিত। অতীতেও সেখানে নিরাপত্তা ঘাটতির কারণে বহু প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটেছে।
এই মর্মান্তিক ঘটনার পর চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং নিখোঁজদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন। সিনহুয়া জানিয়েছে, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
এদিকে বিস্ফোরণের কারণ অনুসন্ধান ও খনি কর্তৃপক্ষের কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্তে ইতোমধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
