রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার নামে আট বছর বয়সী এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় আসামিপক্ষকে কোনো আইনি সেবা দেবে না ঢাকা আইনজীবী সমিতি। শুক্রবার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কালাম খান এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘কার্যনির্বাহী কমিটি জুম মিটিং শেষে সিদ্ধান্ত নিয়েছি শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় আসামিপক্ষে সমিতির কোনো সদস্য অংশ নেবেন না।’
ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূইয়াও একই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই সমাজে এসব অপরাধের জন্য জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা হোক। এসব কারণে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কোনো আইনজীবী আসামিপক্ষে অংশ নেবেন না।’
এদিকে শিশুকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার মূল আসামি সোহেল রানা (৩৪) বুধবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তিনি বলেন, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। অপরাধ গোপন ও মরদেহ সরিয়ে ফেলার উদ্দেশ্যে তিনি লাশ খণ্ডবিখণ্ড করার চেষ্টা করেন।
জবানবন্দি শেষে আদালত সোহেল রানাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই ঘটনায় সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পল্লবীর একটি বাড়ির তিনতলার ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির খণ্ডিত লাশ উদ্ধার হয়। ঘটনার পর জানালার গ্রিল ভেঙে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সোহেল রানাকে।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
ধর্ষণের পর হত্যার এ ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী। হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ও দ্রুত বিচারের দাবিতে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে মিরপুর-১০ থেকে ১২ নম্বর পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা। এতে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনা রোধে সেখানে অবস্থান নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টায় পল্লবীতে ওই শিশুর বাসায় গিয়ে তার বাবা-মাকে সান্ত্বনা দেন প্রধানমন্ত্রী। তাকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তারা।
এর আগে সকালে পল্লবী থানার সামনেও বিক্ষোভ করেন স্থানীয়রা। সেখানে তারা শিশুটিকে হত্যার বিচার দাবিতে পুলিশের কাছে স্মারকলিপি দেন এবং দ্রুত তদন্ত শেষ করার আহ্বান জানান। পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দেয়।
আন্দোলনকারীদের ভাষ্য, শিশুটির হত্যাকাণ্ড শুধু একটি পরিবার নয়, পুরো সমাজকে নাড়িয়ে দিয়েছে। তারা অভিযোগ করেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই বারবার এমন নৃশংস ঘটনা ঘটছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
তিনি বলেন, ‘কার্যনির্বাহী কমিটি জুম মিটিং শেষে সিদ্ধান্ত নিয়েছি শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় আসামিপক্ষে সমিতির কোনো সদস্য অংশ নেবেন না।’
ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূইয়াও একই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই সমাজে এসব অপরাধের জন্য জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা হোক। এসব কারণে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কোনো আইনজীবী আসামিপক্ষে অংশ নেবেন না।’
এদিকে শিশুকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার মূল আসামি সোহেল রানা (৩৪) বুধবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তিনি বলেন, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। অপরাধ গোপন ও মরদেহ সরিয়ে ফেলার উদ্দেশ্যে তিনি লাশ খণ্ডবিখণ্ড করার চেষ্টা করেন।
জবানবন্দি শেষে আদালত সোহেল রানাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই ঘটনায় সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পল্লবীর একটি বাড়ির তিনতলার ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির খণ্ডিত লাশ উদ্ধার হয়। ঘটনার পর জানালার গ্রিল ভেঙে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সোহেল রানাকে।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
ধর্ষণের পর হত্যার এ ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী। হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ও দ্রুত বিচারের দাবিতে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে মিরপুর-১০ থেকে ১২ নম্বর পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা। এতে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনা রোধে সেখানে অবস্থান নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টায় পল্লবীতে ওই শিশুর বাসায় গিয়ে তার বাবা-মাকে সান্ত্বনা দেন প্রধানমন্ত্রী। তাকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তারা।
এর আগে সকালে পল্লবী থানার সামনেও বিক্ষোভ করেন স্থানীয়রা। সেখানে তারা শিশুটিকে হত্যার বিচার দাবিতে পুলিশের কাছে স্মারকলিপি দেন এবং দ্রুত তদন্ত শেষ করার আহ্বান জানান। পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দেয়।
আন্দোলনকারীদের ভাষ্য, শিশুটির হত্যাকাণ্ড শুধু একটি পরিবার নয়, পুরো সমাজকে নাড়িয়ে দিয়েছে। তারা অভিযোগ করেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই বারবার এমন নৃশংস ঘটনা ঘটছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
