রামিসা হত্যাকাণ্ডের চার্জশিট দাখিল হবে রোববার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
রাজধানীর পল্লবীতে আলোচিত শিশু রামিসা হত্যা মামলায় দ্রুত অগ্রগতি হয়ে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, আগামী রোববারের মধ্যেই মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করবে পুলিশ এবং দ্রুত বিচার কার্যক্রম শুরু হবে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রামিসার বাসা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।
সচিবালয়ে দিনভর সরকারি কাজ শেষ করে রাত ১০টার দিকে মিরপুরের ১১ নম্বরের বি ব্লকের রামিসার বাসায় যান সরকার প্রধান। স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীসহ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকও ছিলেন সরকারপ্রধানের সঙ্গে। এসময় নিহত রামিসার পরিবারকে ধৈর্য্য ধরার আহ্বান জানিয়ে অভিযুক্তের বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এসেছিলেন। মা, বাবা এবং রামিসার বড় বোন উপস্থিত ছিলেন, সান্ত্বনা দিয়েছেন। আমরা আশ্বস্ত করেছি, পুলিশ ডিপার্টমেন্ট দ্রুততার সঙ্গে আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। আসামি ১৬৪ ধারায় তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এখন চার্জশিট দেওয়ার পালা।’
চার্জশিট দেওয়ার আগে ডিএনএ টেস্ট করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ডিএনএ টেস্টের জন্য এরইমধ্যে আদালতের অনুমতি নিয়ে সিআইডি ল্যাবে চেষ্টা চলছে। ডিএনএ টেস্ট শেষ হবে রোববারের দুপুরের মধ্যে। ওইদিন ইনশাআল্লাহ আদালতে চার্জশিট দাখিল করতে পারবো। তারপর অত্যন্ত দ্রুততম সময়ের মধ্যে যাতে বিচারকার্য নিষ্পন্ন হয় সে চেষ্টা করবো। যাতে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা যায় সেজন্য আমাদের পক্ষ থেকে চেষ্টা থাকবে।’
শিশু ধর্ষণ ও হত্যার মতো ঘটনায় আইন সংশোধনের বিষয়েও বর্তমান সরকার উদ্যোগ নেবে বলেও জানান সালাহউদ্দিন আহমদ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন, রামিসার বড় বোনের সব পড়াশোনার খরচ এবং তার অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় সবকিছু উনি বহন করবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘পরিবার চেয়েছে সুষ্ঠু ন্যায়বিচার, দ্রুততম সময়ের মধ্যে। সেটা পরিবারের এক নম্বর চাওয়া এবং সেটাই স্বাভাবিক। তারপর তার যে আরেক মেয়ে সন্তান আছে, সে যাতে নিরাপদে থাকতে পারে, পড়াশোনা করতে পারে, উন্নত জীবন পায়, সেজন্য সহায়তা চেয়েছেন। সেটা প্রধানমন্ত্রী ব্যবস্থা করবেন। গ্রেপ্তার এবং আমাদের আইনি পদক্ষেপগুলোতে এখন পর্যন্ত তারা সন্তুষ্ট।’
গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার (৭) মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। পুরো দেশজুড়ে ঝড় ওঠে প্রতিবাদের। ধর্ষক ও হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানান সবে শ্রেণি-পেশার মানুষ।
এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সোহেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে সোহেল রানা।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওই বাসায় উপস্থিত ছিলেন আইনমন্ত্রী, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীসহ আরও অনেকে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রামিসার বাসা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।
সচিবালয়ে দিনভর সরকারি কাজ শেষ করে রাত ১০টার দিকে মিরপুরের ১১ নম্বরের বি ব্লকের রামিসার বাসায় যান সরকার প্রধান। স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীসহ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকও ছিলেন সরকারপ্রধানের সঙ্গে। এসময় নিহত রামিসার পরিবারকে ধৈর্য্য ধরার আহ্বান জানিয়ে অভিযুক্তের বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এসেছিলেন। মা, বাবা এবং রামিসার বড় বোন উপস্থিত ছিলেন, সান্ত্বনা দিয়েছেন। আমরা আশ্বস্ত করেছি, পুলিশ ডিপার্টমেন্ট দ্রুততার সঙ্গে আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। আসামি ১৬৪ ধারায় তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এখন চার্জশিট দেওয়ার পালা।’
চার্জশিট দেওয়ার আগে ডিএনএ টেস্ট করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ডিএনএ টেস্টের জন্য এরইমধ্যে আদালতের অনুমতি নিয়ে সিআইডি ল্যাবে চেষ্টা চলছে। ডিএনএ টেস্ট শেষ হবে রোববারের দুপুরের মধ্যে। ওইদিন ইনশাআল্লাহ আদালতে চার্জশিট দাখিল করতে পারবো। তারপর অত্যন্ত দ্রুততম সময়ের মধ্যে যাতে বিচারকার্য নিষ্পন্ন হয় সে চেষ্টা করবো। যাতে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা যায় সেজন্য আমাদের পক্ষ থেকে চেষ্টা থাকবে।’
শিশু ধর্ষণ ও হত্যার মতো ঘটনায় আইন সংশোধনের বিষয়েও বর্তমান সরকার উদ্যোগ নেবে বলেও জানান সালাহউদ্দিন আহমদ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন, রামিসার বড় বোনের সব পড়াশোনার খরচ এবং তার অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় সবকিছু উনি বহন করবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘পরিবার চেয়েছে সুষ্ঠু ন্যায়বিচার, দ্রুততম সময়ের মধ্যে। সেটা পরিবারের এক নম্বর চাওয়া এবং সেটাই স্বাভাবিক। তারপর তার যে আরেক মেয়ে সন্তান আছে, সে যাতে নিরাপদে থাকতে পারে, পড়াশোনা করতে পারে, উন্নত জীবন পায়, সেজন্য সহায়তা চেয়েছেন। সেটা প্রধানমন্ত্রী ব্যবস্থা করবেন। গ্রেপ্তার এবং আমাদের আইনি পদক্ষেপগুলোতে এখন পর্যন্ত তারা সন্তুষ্ট।’
গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার (৭) মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। পুরো দেশজুড়ে ঝড় ওঠে প্রতিবাদের। ধর্ষক ও হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানান সবে শ্রেণি-পেশার মানুষ।
এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সোহেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে সোহেল রানা।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওই বাসায় উপস্থিত ছিলেন আইনমন্ত্রী, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীসহ আরও অনেকে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
