সাভারে টিফিনের সময় পঞ্চম শ্রেণির শিশুকে ধর্ষণ, মুদি দোকানি গ্রেপ্তার
সাভারে স্কুলের টিফিনের সময় বিস্কুট কিনতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী। এ ঘটনার অভিযোগে শাহজাহান (৬০) নামে এক মুদি দোকানিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।
বুধবার (২০ মে) দুপুরে সাভার থানাধীন বনগ্রাম এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নির্যাতিত শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। বুধবার দুপুরে স্কুলের টিফিনের সময় সে বনগ্রামের পাছ বনগ্রাম এলাকার একটি মুদি দোকানে বিস্কুট কিনতে যায়। এ সময় দোকানি শাহজাহান তাকে বিস্কুট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক দোকানের ভেতরে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ করে। শিশুটি চিৎকার করার চেষ্টা করলে শাহজাহান তার মুখ চেপে ধরে। ধর্ষণ শেষে এই ঘটনা কাউকে জানালে শিশুটিকে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়।
বিদ্যালয় ছুটির পর শিশুটি বাড়িতে ফিরে তার চাচাকে বিস্তারিত জানালে বিষয়টি প্রকাশ পায়।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর রাতেই উত্তেজিত এলাকাবাসী অভিযুক্ত শাহজাহানকে ধরে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার সাভার মডেল থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করলে পুলিশ আসামিকে গ্রেপ্তার দেখায়। গ্রেপ্তারকৃত শাহজাহান ঢাকা জেলার দোহার থানার সুতারপাড়া গ্রামের মৃত ইরফান আলীর ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে সাভারের বনগ্রামের মুদি দোকান ঘরে বসবাস করে আসছিল।
সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইমরান হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়েই পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে আসামিকে হেফাজতে নিয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুটিকে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
বুধবার (২০ মে) দুপুরে সাভার থানাধীন বনগ্রাম এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নির্যাতিত শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। বুধবার দুপুরে স্কুলের টিফিনের সময় সে বনগ্রামের পাছ বনগ্রাম এলাকার একটি মুদি দোকানে বিস্কুট কিনতে যায়। এ সময় দোকানি শাহজাহান তাকে বিস্কুট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক দোকানের ভেতরে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ করে। শিশুটি চিৎকার করার চেষ্টা করলে শাহজাহান তার মুখ চেপে ধরে। ধর্ষণ শেষে এই ঘটনা কাউকে জানালে শিশুটিকে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়।
বিদ্যালয় ছুটির পর শিশুটি বাড়িতে ফিরে তার চাচাকে বিস্তারিত জানালে বিষয়টি প্রকাশ পায়।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর রাতেই উত্তেজিত এলাকাবাসী অভিযুক্ত শাহজাহানকে ধরে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার সাভার মডেল থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করলে পুলিশ আসামিকে গ্রেপ্তার দেখায়। গ্রেপ্তারকৃত শাহজাহান ঢাকা জেলার দোহার থানার সুতারপাড়া গ্রামের মৃত ইরফান আলীর ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে সাভারের বনগ্রামের মুদি দোকান ঘরে বসবাস করে আসছিল।
সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইমরান হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়েই পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে আসামিকে হেফাজতে নিয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুটিকে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
