চট্টগ্রামে ধর্ষণের পর গুদামে শিশুর লাশ, নরসিংদী থেকে মূল আসামি গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে গত মার্চ মাসে ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। একটি গুদামে তার লাশ ফেলে রাখে ঘাতক। এ ঘটনার প্রায় তিন মাস পর মূল অভিযুক্ত ও হত্যা মামলার আসামি মো. ফয়সালকে (১৯) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার রাতে নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার নিলক্ষী ইউনিয়নের টংকপাড়া এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জানা গেছে, গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষী ইউনিয়নের টংকপাড়া এলাকা থেকে ফয়সালকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গত ২৬ মার্চ একটি তুলার গুদামে ভুক্তভোগী শিশুকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করা হয়। পরে শিশুটি চিৎকার করলে ফয়সাল ও তার সহযোগীরা তাকে হত্যা করে। হত্যার পর মরদেহ গুদামের বস্তার নিচে লুকিয়ে রাখা হয়।
ঘটনার পর আসামিরা আত্মগোপনে চলে যায়। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশ মানিকছড়ি ও কুমিল্লাসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়। সর্বশেষ টানা ৭২ ঘণ্টার অভিযানের পর নরসিংদী থেকে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুর রহমান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফয়সাল ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে সেখানে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
জবানবন্দিতে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শিশুটির বাবা প্রতিবন্ধী। মা স্থানীয় একটি কারখানার শ্রমিক। অভিযুক্ত ফয়সাল শিশুটির সঙ্গে একই কলোনিতে বসবাস করতেন। ফয়সালের বাড়ি বরিশালে। তিনি পেশায় দিনমজুর।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
জানা গেছে, গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষী ইউনিয়নের টংকপাড়া এলাকা থেকে ফয়সালকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গত ২৬ মার্চ একটি তুলার গুদামে ভুক্তভোগী শিশুকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করা হয়। পরে শিশুটি চিৎকার করলে ফয়সাল ও তার সহযোগীরা তাকে হত্যা করে। হত্যার পর মরদেহ গুদামের বস্তার নিচে লুকিয়ে রাখা হয়।
ঘটনার পর আসামিরা আত্মগোপনে চলে যায়। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশ মানিকছড়ি ও কুমিল্লাসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়। সর্বশেষ টানা ৭২ ঘণ্টার অভিযানের পর নরসিংদী থেকে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুর রহমান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফয়সাল ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে সেখানে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
জবানবন্দিতে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শিশুটির বাবা প্রতিবন্ধী। মা স্থানীয় একটি কারখানার শ্রমিক। অভিযুক্ত ফয়সাল শিশুটির সঙ্গে একই কলোনিতে বসবাস করতেন। ফয়সালের বাড়ি বরিশালে। তিনি পেশায় দিনমজুর।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
