ATN
শিরোনাম
  •  

তাইজুলের ঘূর্ণিতে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে বাংলাদেশের ইতিহাস

         
তাইজুলের ঘূর্ণিতে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে বাংলাদেশের ইতিহাস

তাইজুলের ঘূর্ণিতে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে বাংলাদেশের ইতিহাস

সিলেট টেস্টের চতুর্থ দিন শেষেই জয়ের খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিল বাংলাদেশ। পঞ্চম দিনে অলৌকিক কিছু না ঘটলে পাকিস্তানের জন্য ম্যাচ বাঁচানো কঠিনই ছিল। তবে দিনের শুরুতে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সাজিদ খানের দৃঢ় প্রতিরোধে কিছুটা শঙ্কা জাগে টাইগার শিবিরে। ঠিক সেই সময় আবারও দলের ত্রাতার ভূমিকায় আবির্ভূত হন বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সাজিদ খানকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে স্বস্তি এনে দেন তিনি। এরপর শতকের দ্বারপ্রান্তে থাকা রিজওয়ানও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত খুররাম শেহজাদকে আউট করে পাকিস্তানের ইনিংস গুটিয়ে দেন তাইজুল।

মিরপুর টেস্টের পর সিলেটেও দাপুটে পারফরম্যান্স ধরে রাখে বাংলাদেশ। দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশ করেছে টাইগাররা। এর মাধ্যমে ঘরের মাঠে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানকে টেস্ট সিরিজে ধবলধোলাই করার ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ।

৪৩৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চতুর্থ দিন শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ৭ উইকেটে ৩১৬ রান। জয়ের জন্য তখনও প্রয়োজন ছিল ১২১ রান, আর বাংলাদেশের দরকার ছিল মাত্র তিন উইকেট।

পঞ্চম দিনের খেলা শুরু করেন আগের দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সাজিদ খান। দিনের শুরুতেই রিজওয়ানকে ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। নাহিদ রানার বলে স্লিপে ক্যাচ তুললেও সেটি হাতছাড়া করেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

জীবন পেয়ে আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন রিজওয়ান। সাজিদ খানকে নিয়ে গড়েন গুরুত্বপূর্ণ জুটি। এই জুটিতে ভর করে জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল পাকিস্তান। তবে সেই স্বপ্ন ভেঙে দেন তাইজুল ইসলাম। সাজিদ খানকে আউট করে নিজের পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন তিনি। আউট হওয়ার আগে ৩৬ বলে ২৮ রান করেন সাজিদ।

এরপর শতকের খুব কাছে গিয়ে থামেন পাকিস্তানের উইকেটকিপার ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান। শরিফুল ইসলামের বলে মিরাজের হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে ১৬৬ বলে ১০ চার ও ৯৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। অন্যদিকে খুররাম শেহজাদ আউট হন শূন্য রানে এবং মোহাম্মদ আব্বাস অপরাজিত থাকেন রানে খাতা না খুলেই।

বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন তাইজুল ইসলাম। ৩৪.২ ওভারে ১২০ রান খরচায় ৬ উইকেট শিকার করেন এই স্পিনার। এছাড়া নাহিদ রানা নেন দুটি উইকেট। আর একটি করে উইকেট পান শরিফুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ।

সিলেট টেস্টে প্রথম ইনিংসে লিটন দাসের সেঞ্চুরিতে ভর করে বাংলাদেশ তোলে ২৭৮ রান। জবাবে পাকিস্তান অলআউট হয় ২৩২ রানে, ফলে ৪৬ রানের লিড পায় স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ৩৯০ রান, এতে পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৩৭ রানের। তবে শেষ পর্যন্ত সফরকারীরা গুটিয়ে যায় ৩৫৮ রানেই।

রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট খেলা সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ