দেশের বাজারে টানা তিন দফায় স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ১৫৮ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নেমে এসেছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯৬৩ টাকায়, যা আগের দিন ছিল ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা।
বুধবার (২০ মে) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। নতুন দাম একই দিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৩২ টাকায়। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৩১ টাকা।
এর আগে সর্বশেষ ১৬ মে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় প্রতি ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা। তখন ২১ ক্যারেটের দাম ছিল ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশে ৬৬ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ৩১ দফা কমানো হয়েছে। আর ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার বেড়েছিল এবং ২৯ বার কমেছিল।
অন্যদিকে, স্বর্ণের দাম কমলেও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৬০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৪৪১ টাকায়।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৩৯ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২১ বার দাম বেড়েছে এবং ১৮ বার কমেছে। ২০২৫ সালে রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল মোট ১৩ বার; তখন ১০ বার দাম বেড়েছিল এবং কমেছিল ৩ বার।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সংঘাত শুরুর পর থেকেই বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা দেয়। পরে বিভিন্ন সময়ে দাম ওঠানামা করতে থাকে। স্বর্ণ ও রুপার আন্তর্জাতিক দর নির্ধারণকারী ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস ডটওআরজির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম কমে ৪ হাজার ৪৬৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
এর আগে ৩০ জানুয়ারি প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি তা বেড়ে ৫ হাজার ৫৫০ ডলারে উঠেছিল।
গত মাসের শেষদিকে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম দ্রুত বাড়তে থাকায় দেশের বাজারেও রেকর্ড পরিমাণ মূল্যবৃদ্ধি হয়। ২৯ জানুয়ারি এক দফায় ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে বাজুস ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করেছিল ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দাম হিসেবে রেকর্ড হয়। একই সঙ্গে একবারে এত বড় মূল্যবৃদ্ধির ঘটনাও ছিল নজিরবিহীন।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
বুধবার (২০ মে) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। নতুন দাম একই দিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৩২ টাকায়। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৩১ টাকা।
এর আগে সর্বশেষ ১৬ মে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় প্রতি ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা। তখন ২১ ক্যারেটের দাম ছিল ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশে ৬৬ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ৩১ দফা কমানো হয়েছে। আর ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার বেড়েছিল এবং ২৯ বার কমেছিল।
অন্যদিকে, স্বর্ণের দাম কমলেও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৬০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৪৪১ টাকায়।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৩৯ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২১ বার দাম বেড়েছে এবং ১৮ বার কমেছে। ২০২৫ সালে রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল মোট ১৩ বার; তখন ১০ বার দাম বেড়েছিল এবং কমেছিল ৩ বার।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সংঘাত শুরুর পর থেকেই বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা দেয়। পরে বিভিন্ন সময়ে দাম ওঠানামা করতে থাকে। স্বর্ণ ও রুপার আন্তর্জাতিক দর নির্ধারণকারী ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস ডটওআরজির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম কমে ৪ হাজার ৪৬৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
এর আগে ৩০ জানুয়ারি প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি তা বেড়ে ৫ হাজার ৫৫০ ডলারে উঠেছিল।
গত মাসের শেষদিকে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম দ্রুত বাড়তে থাকায় দেশের বাজারেও রেকর্ড পরিমাণ মূল্যবৃদ্ধি হয়। ২৯ জানুয়ারি এক দফায় ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে বাজুস ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করেছিল ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দাম হিসেবে রেকর্ড হয়। একই সঙ্গে একবারে এত বড় মূল্যবৃদ্ধির ঘটনাও ছিল নজিরবিহীন।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
