হরমুজ এড়াতে পাইপলাইন নির্মাণ করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত
হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে নতুন পাইপলাইন নির্মাণের মাধ্যমে তেল রপ্তানি ক্ষমতা দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন এই পাইপলাইনটি চালু হওয়ার কথা রয়েছে।
শুক্রবার (১৬ মে) দেশটির রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আবুধাবি ন্যাশনাল ওয়েল কোম্পানি-অ্যাডনক জানায়, ওমান উপসাগরের ফুজাইরাহ বন্দরের দিকে যাওয়া ওয়েস্ট-ইস্ট পাইপলাইনের নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মেদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এক বৈঠকে এ প্রকল্পের ঘোষণা দেন।
নতুন পাইপলাইনটি আগে থেকেই নির্মাণাধীন রয়েছে। ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন পাইপলাইনটি চালু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে আমিরাতের হাবশান-ফুজাইরাহ পাইপলাইন দিয়ে দৈনিক প্রায় ১৫ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করা যায়।
নতুন এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার না করেই এর দ্বিগুণ পরিমাণ তেল বিশ্ববাজারে পাঠাতে পারবে আমিরাত। ইরান যুদ্ধের আগে প্রতিদিন প্রায় ৩৪ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করত দেশটি। তবে ইরান হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর আমিরাতের তেল রপ্তানি কমে গেছে প্রায় ৬০ শতাংশ।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা. হা
শুক্রবার (১৬ মে) দেশটির রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আবুধাবি ন্যাশনাল ওয়েল কোম্পানি-অ্যাডনক জানায়, ওমান উপসাগরের ফুজাইরাহ বন্দরের দিকে যাওয়া ওয়েস্ট-ইস্ট পাইপলাইনের নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মেদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এক বৈঠকে এ প্রকল্পের ঘোষণা দেন।
নতুন পাইপলাইনটি আগে থেকেই নির্মাণাধীন রয়েছে। ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন পাইপলাইনটি চালু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে আমিরাতের হাবশান-ফুজাইরাহ পাইপলাইন দিয়ে দৈনিক প্রায় ১৫ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করা যায়।
নতুন এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার না করেই এর দ্বিগুণ পরিমাণ তেল বিশ্ববাজারে পাঠাতে পারবে আমিরাত। ইরান যুদ্ধের আগে প্রতিদিন প্রায় ৩৪ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করত দেশটি। তবে ইরান হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর আমিরাতের তেল রপ্তানি কমে গেছে প্রায় ৬০ শতাংশ।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা. হা
