সিলেট টেস্টে শুরুতেই ধাক্কা, শান্ত-মুশফিকে ঘুরে দাঁড়ালো বাংলাদেশ
পাকিস্তানের বিপক্ষে সিলেট টেস্টে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। রানের খাতা খোলার আগেই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়কে হারায় স্বাগতিকরা। পরে তানজিদ হাসান তামিম ও মুমিনুল হক ফিরলে দলের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬৩ রান। তবে এরপর আর কোনো উইকেট না হারিয়ে মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে বাংলাদেশ তুলেছে ১০১ রান।
লাঞ্চ বিরতিতে বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ২৬ এবং মুশফিকুর রহিম ১৮ রানে অপরাজিত আছেন। চতুর্থ উইকেটে তাদের জুটিতে এসেছে ৩৮ রান।
এর আগে টস হেরে দুই পরিবর্তন নিয়ে আগে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। মিরপুর টেস্টের পর স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েন সাদমান ইসলাম। তার জায়গায় অভিষেক হয় তানজিদ হাসান তামিমের। এছাড়া এবাদত হোসেনর পরিবর্তে একাদশে সুযোগ পান শরিফুল ইসলাম।
ইনিংসের শুরুতেই চাপের মুখে পড়ে বাংলাদেশ। মুহাম্মদ আব্বাসের করা প্রথম বলেই এলবিডব্লিউর জোরালো আবেদন ওঠে জয়ের বিপক্ষে, যদিও সে যাত্রায় বেঁচে যান তিনি। তবে দ্বিতীয় বলেই স্লিপে ক্যাচ দিয়ে শূন্য রানে ফিরতে হয় তাকে।
এরপর মুমিনুল ও তানজিদ মিলে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। দুজনের মধ্যে ৪৪ রানের জুটি গড়ে ওঠে। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি অভিষিক্ত তানজিদ। মিড-অনে তুলে মারতে গিয়ে টাইমিং করতে না পারায় সহজ ক্যাচ নেন আব্বাস। ৩৪ বলে ২৬ রান করে থামে তার অভিষেক ইনিংস।
এরপর খুররম শাহজাদের দারুণ এক ডেলিভারিতে বিদায় নেন মুমিনুল হক। বল ব্যাট ফাঁকি দিয়ে অফ স্টাম্পের বেল উড়িয়ে দেয়। মুমিনুল ও শান্তর জুটি থেকে আসে ১৯ রান।
পাকিস্তানের হয়ে এখন পর্যন্ত মুহাম্মদ আব্বাস দুটি এবং খুররম শাহজাদ একটি উইকেট নিয়েছেন।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
লাঞ্চ বিরতিতে বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ২৬ এবং মুশফিকুর রহিম ১৮ রানে অপরাজিত আছেন। চতুর্থ উইকেটে তাদের জুটিতে এসেছে ৩৮ রান।
এর আগে টস হেরে দুই পরিবর্তন নিয়ে আগে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। মিরপুর টেস্টের পর স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েন সাদমান ইসলাম। তার জায়গায় অভিষেক হয় তানজিদ হাসান তামিমের। এছাড়া এবাদত হোসেনর পরিবর্তে একাদশে সুযোগ পান শরিফুল ইসলাম।
ইনিংসের শুরুতেই চাপের মুখে পড়ে বাংলাদেশ। মুহাম্মদ আব্বাসের করা প্রথম বলেই এলবিডব্লিউর জোরালো আবেদন ওঠে জয়ের বিপক্ষে, যদিও সে যাত্রায় বেঁচে যান তিনি। তবে দ্বিতীয় বলেই স্লিপে ক্যাচ দিয়ে শূন্য রানে ফিরতে হয় তাকে।
এরপর মুমিনুল ও তানজিদ মিলে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। দুজনের মধ্যে ৪৪ রানের জুটি গড়ে ওঠে। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি অভিষিক্ত তানজিদ। মিড-অনে তুলে মারতে গিয়ে টাইমিং করতে না পারায় সহজ ক্যাচ নেন আব্বাস। ৩৪ বলে ২৬ রান করে থামে তার অভিষেক ইনিংস।
এরপর খুররম শাহজাদের দারুণ এক ডেলিভারিতে বিদায় নেন মুমিনুল হক। বল ব্যাট ফাঁকি দিয়ে অফ স্টাম্পের বেল উড়িয়ে দেয়। মুমিনুল ও শান্তর জুটি থেকে আসে ১৯ রান।
পাকিস্তানের হয়ে এখন পর্যন্ত মুহাম্মদ আব্বাস দুটি এবং খুররম শাহজাদ একটি উইকেট নিয়েছেন।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
