ATN
শিরোনাম
  •  

পাকিস্তান বধে ইতিহাসের বাংলাদেশ

         
পাকিস্তান বধে ইতিহাসের বাংলাদেশ

পাকিস্তান বধে ইতিহাসের বাংলাদেশ

পাকিস্তানের মতো পরাশক্তির বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট জয় একটা সময় ছিল কল্পনা। ২০২৪ সালের আগে ১৩ টেস্টে ১২ হারের পাশে একটি ড্র। কিন্তু সেই সময়টাই অদ্ভুতভাবে বদলে গেল। রাওয়ালপিন্ডিতে টানা দুই টেস্ট জিতে ইতিহাস গড়ার ধারাবাহিকতায় এবার ঢাকায়ও পাকিস্তানকে নাস্তানাবুদ করলো লাল সবুজের দল। পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট জয়ের হ্যাটট্রিক বাংলাদেশকে দিয়েছে অনেক ব্যক্তিগত ও দলীয় অর্জন।

টানা তিন টেস্ট জয়ের এই কীর্তি বাংলাদেশের ক্রিকেটে নতুন মাইলফলক তৈরি করেছে। এর আগে টানা তিন বা তার বেশি টেস্ট জয় ছিল শুধু জিম্বাবুয়ে আর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। সবচেয়ে বড় জয়যাত্রা- ২০১৩ থেকে ২০১৪ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টানা চার টেস্ট জয়।

মিরপুর টেস্টের জয়ের অন্যতন নায়ক হলেন নাহিদ রানা। দ্বিতীয় ইনিংসে ৪০ রানে ৫ উইকেট নিয়ে গড়েছেন নিজের ক্যারিয়ারসেরা বোলিং। এর আগে তার সেরা ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৫ উইকেটে করে ৬১ রান। টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে বাংলাদেশের প্রথম পেসার হিসেবে পাঁচ উইকেট নেওয়ার রেকর্ডটাও এখন তারই।

বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে দেশের মাটিতে নাহিদের এই বোলিং দ্বিতীয় সেরা। ২০০৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মিরপুরেই ২৭ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন শাহাদাত হোসেন। শেরেবাংলায় বাংলাদেশের পেসাররা ইনিংসে পাঁচ উইকেট পেয়েছেন মাত্র দই দুবারই।

পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের পেসাররা নিয়েছেন ১০ উইকেট। মিরপুরে এটি মাত্র দ্বিতীয়বার। যখন এক টেস্টে টাইগার পেস আক্রমণ তুলেছে এমন সাফল্য।

অধিনায়কত্বের পাশে ব্যাট হাতেও উজ্জ্বল নাজমুল হোসেন শান্ত। টেস্ট ক্যারিয়ারে তৃতীয়বারের মতো ম্যাচের দুই ইনিংসেই করেছেন ৮০’র বেশি রান, যা আর কেউ দুবারও করতে পারেননি। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে আর ১৩ রান করতে পারলে টেস্ট ইতিহাসে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনবার এক ম্যাচে জোড়া সেঞ্চুরির কীর্তি গড়তেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

পাকিস্তানের বিপক্ষে এই জয় শুধু একটি ম্যাচ জেতার গল্প নয়। এটি টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের অগ্রগতিরও বিজ্ঞাপন।

রিপোর্ট : ই/মা. হা
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট খেলা সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ