ফেনীতে নিখোঁজের দুই দিন পর ডোবা থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার
ফেনীতে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর ডোবা থেকে হাসান (১৮ মাস) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১১ মে) সকালে দাগনভূঞা পৌরসভার আমানউল্ল্যাহপুর এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত হাসান লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার বাসিন্দা মোহাম্মদ তারেক ও তারজিনা আক্তার দম্পতির ছেলে।
শিশুটির বাবা মোহাম্মদ তারেক জানান, গত ৯ মে সকালে বাসার সামনে থেকে নিখোঁজ হয় হাসান। ওইদিন সন্ধ্যায় একটি মোবাইল নম্বর থেকে কল আসে। প্রথমে ১২ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে অপহরণকারীরা এক লাখ ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। টাকা না দিলে শিশুটিকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। এ ঘটনায় রোববার (১০ মে) দাগনভূঞা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন তারা।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম জানান, সোমবার সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। মুক্তিপণ দাবির বিষয়টি কোনো চক্রের কাজ বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তে জানা গেছে, হুমকি দিয়ে ফোন করা নম্বরটি নওগাঁ জেলার।
তবে নিহত শিশুর স্বজনদের অভিযোগ, নিখোঁজ ও মুক্তিপণের বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) সাইফুল ইসলাম বলেন, পুলিশের গাফিলতির অভিযোগ সঠিক নয়। তারপরও বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
সোমবার (১১ মে) সকালে দাগনভূঞা পৌরসভার আমানউল্ল্যাহপুর এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত হাসান লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার বাসিন্দা মোহাম্মদ তারেক ও তারজিনা আক্তার দম্পতির ছেলে।
শিশুটির বাবা মোহাম্মদ তারেক জানান, গত ৯ মে সকালে বাসার সামনে থেকে নিখোঁজ হয় হাসান। ওইদিন সন্ধ্যায় একটি মোবাইল নম্বর থেকে কল আসে। প্রথমে ১২ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে অপহরণকারীরা এক লাখ ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। টাকা না দিলে শিশুটিকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। এ ঘটনায় রোববার (১০ মে) দাগনভূঞা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন তারা।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম জানান, সোমবার সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। মুক্তিপণ দাবির বিষয়টি কোনো চক্রের কাজ বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তে জানা গেছে, হুমকি দিয়ে ফোন করা নম্বরটি নওগাঁ জেলার।
তবে নিহত শিশুর স্বজনদের অভিযোগ, নিখোঁজ ও মুক্তিপণের বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) সাইফুল ইসলাম বলেন, পুলিশের গাফিলতির অভিযোগ সঠিক নয়। তারপরও বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
