বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করলে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখা সম্ভব নয়: রিজভী
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সীমান্তে রক্তপাত বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। গতকাল (শনিবার) ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুজনকে গুলি করা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা ভারতের সাধারণ মানুষও চায় না। আমরা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাই। কিন্তু বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করলে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখা সম্ভব নয়।
রবিবার (১০ মে) রাজধানীর ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)-এর ৪৫তম জাতীয় কাউন্সিলে বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন ইঞ্জিনিয়ার কাজী সাখাওয়াত হোসেন এবং সভাপতিত্ব করেন ইঞ্জিনিয়ার কবীর হোসেন।
রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী যদি ধারাবাহিকভাবে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন, তাহলে বিএনপিও তা পারবে। জনগণ এমন নেতৃত্বই প্রত্যাশা করে। বিশেষজ্ঞরা এখনও মনে করেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেওয়া যুগান্তকারী পদক্ষেপগুলোর ধারাবাহিকতাতেই দেশ এগিয়েছে। তার উত্তরসূরি তারেক রহমানও সফলভাবে নেতৃত্ব দিতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, অতীতের মতো ‘১০ টাকা কেজি চাল’ বা ‘ঘরে ঘরে চাকরি’ দেওয়ার মতো অবাস্তব ও প্রতারণামূলক প্রতিশ্রুতি তারেক রহমান দেননি।
দেশের উন্নয়ন প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, ধূসর মরুভূমির দেশ সিঙ্গাপুর যদি উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে পারে, তাহলে নদী-নালায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশও যথাযথ সংস্কারের মাধ্যমে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারবে। এজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
রবিবার (১০ মে) রাজধানীর ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)-এর ৪৫তম জাতীয় কাউন্সিলে বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন ইঞ্জিনিয়ার কাজী সাখাওয়াত হোসেন এবং সভাপতিত্ব করেন ইঞ্জিনিয়ার কবীর হোসেন।
রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী যদি ধারাবাহিকভাবে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন, তাহলে বিএনপিও তা পারবে। জনগণ এমন নেতৃত্বই প্রত্যাশা করে। বিশেষজ্ঞরা এখনও মনে করেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেওয়া যুগান্তকারী পদক্ষেপগুলোর ধারাবাহিকতাতেই দেশ এগিয়েছে। তার উত্তরসূরি তারেক রহমানও সফলভাবে নেতৃত্ব দিতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, অতীতের মতো ‘১০ টাকা কেজি চাল’ বা ‘ঘরে ঘরে চাকরি’ দেওয়ার মতো অবাস্তব ও প্রতারণামূলক প্রতিশ্রুতি তারেক রহমান দেননি।
দেশের উন্নয়ন প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, ধূসর মরুভূমির দেশ সিঙ্গাপুর যদি উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে পারে, তাহলে নদী-নালায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশও যথাযথ সংস্কারের মাধ্যমে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারবে। এজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
