নারায়ণগঞ্জে গ্যাস বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিন শিশুসহ বাবা-মা দগ্ধ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে তিন শিশু সন্তানসহ বাবা-মা দগ্ধ হয়েছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদেরকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
আজ রোববার (১০ মে) সকাল ৭টার দিকে ফতুল্লা গিরিধারা এলাকার গ্রাম বাংলা টাওয়ারের সামনের বাড়িতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দগ্ধরা হলেন, সবজি বিক্রেতা মো. কালাম(৩৫), তার স্ত্রী সায়মা(৩২)। তাদের ছেলে মুন্না(৭), দুই মেয়ে মুন্নি(১০) ও কথা(৭)।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরিফিন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রান্নাঘরের লাইনের লিকেজ থেকে গ্যাস জমে ছিল। রান্নার জন্য আগুন জ্বালালে বিস্ফোরণ ঘটে। প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে ঢাকায় জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে পাঠায়। গৃহকর্তা মো. কালাম ৯৫ শতাংশ, তার স্ত্রী সায়মা ৬০ শতাংশ, মেয়ে কথা ৫২ শতাংশ, মেয়ে মুন্নী ৩৫ শতাংশ এ ছেলে মুন্না ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছেন জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
এদিকে, বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, কালামের শরীরের ৯৫ শতাংশ, তার স্ত্রীর ৬০, মুন্নার ৩০, কথার ৫২ ও মুন্নির ৩৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাদের সবার অবস্থাই খুবই আশঙ্কাজনক। ৫ জনকেই ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা. হা
আজ রোববার (১০ মে) সকাল ৭টার দিকে ফতুল্লা গিরিধারা এলাকার গ্রাম বাংলা টাওয়ারের সামনের বাড়িতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দগ্ধরা হলেন, সবজি বিক্রেতা মো. কালাম(৩৫), তার স্ত্রী সায়মা(৩২)। তাদের ছেলে মুন্না(৭), দুই মেয়ে মুন্নি(১০) ও কথা(৭)।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরিফিন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রান্নাঘরের লাইনের লিকেজ থেকে গ্যাস জমে ছিল। রান্নার জন্য আগুন জ্বালালে বিস্ফোরণ ঘটে। প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে ঢাকায় জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে পাঠায়। গৃহকর্তা মো. কালাম ৯৫ শতাংশ, তার স্ত্রী সায়মা ৬০ শতাংশ, মেয়ে কথা ৫২ শতাংশ, মেয়ে মুন্নী ৩৫ শতাংশ এ ছেলে মুন্না ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছেন জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
এদিকে, বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, কালামের শরীরের ৯৫ শতাংশ, তার স্ত্রীর ৬০, মুন্নার ৩০, কথার ৫২ ও মুন্নির ৩৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাদের সবার অবস্থাই খুবই আশঙ্কাজনক। ৫ জনকেই ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা. হা
