ATN
শিরোনাম
  •  

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন পর্যবেক্ষণে এআই ব্যবহারে এখনই কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে না পুলিশ

         
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন পর্যবেক্ষণে এআই ব্যবহারে এখনই কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে না পুলিশ

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন পর্যবেক্ষণে এআই ব্যবহারে এখনই কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে না পুলিশ

ট্রাফিক আইন পর্যবেক্ষণে প্রযুক্তিনির্ভর এআই ব্যবহারের সঙ্গে শুরুর দিকে নগরবাসীকে অভ্যস্ত করে তুলতে চায় ডিএমপি। তাই এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ক্যামেরার মাধ্যমে ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে এখনই কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে না পুলিশ।

সড়কে যানজট, উল্টো পথে চলাচল, সিগন্যাল অমান্য কিংবা যেখানে সেখানে গাড়ি থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা— দীর্ঘদিন ধরেই ঢাকার নাগরিক জীবনের নিত্যদিনের ভোগান্তি। সেই পরিস্থিতি বদলাতে এবার প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।

প্রথম ধাপে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি মোড়ে বসানো হয়েছে অত্যাধুনিক ক্যামেরা। এসব ক্যামেরার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সফটওয়্যার। কোনো যানবাহন ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করলেই সঙ্গে সঙ্গে শনাক্ত হচ্ছে গাড়ির নম্বর। এরপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে সার্ভারে সংরক্ষণ হচ্ছে ডিজিটাল মামলা সংক্রান্ত তথ্য।

তবে ডিজিটাল মামলার এই উদ্যোগ রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থায় কতটা পরিবর্তন আনতে পারবে তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

ডিএমপি বলছে, প্রযুক্তিনির্ভর এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে যেমন গতি আসবে, তেমনি কমবে আইন অমান্যের প্রবণতাও। আপাতত সচেতনতার দিকেই বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

প্রক্রিয়াটির সম্পর্কে ধারণা দিয়ে ডিএমপি কর্মকর্তা আরও জানান, তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিকের নামে মামলা নথিভুক্ত হবে। পরে মোবাইল ফোনে এসএমএস কিংবা ডাকযোগে নির্দিষ্ট ঠিকানায় তা পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

মামলার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জরিমানা পরিশোধ বা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আইনি জটিলতায় পড়তে হতে পারে। এমনকি আদালতের নির্দেশে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিধান রয়েছে বলে জানান তিনি।

রিপোর্ট : মা. মি/মা. হা
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ